হান্টাভাইরাস কারণে মার্কিন যাত্রীকে উদ্ধারে ৯ কোটি টাকা খরচ হয়েছে
প্রমোদতরি থেকে কোনো নাগরিককে স্থানান্তর করার প্রস্তুতি
হ ন ট ভ ইর স আক – হান্টাভাইরাস আক্রান্ত একজন মার্কিন যাত্রীকে পিটকেয়ার্ন দ্বীপ থেকে উদ্ধারে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রায় ৯ কোটি টাকা খরচ করেছে। এ কারণে জরুরি তহবিলে বিপুল চাপ দেখা দিয়েছে, যা সামগ্রিক কোটি টাকার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেরণি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ সহায়তা দিতে বাইরে থেকে আক্রান্ত যাত্রীকে পৌঁছানোর জন্য দুটি বেসরকারী যানবাহন ব্যবহার করা হয়েছে।
“বিদেশে কোনো মার্কিন নাগরিক ঝুঁকিতে পড়লে এবং বাণিজ্যিক যানবাহনের ব্যবহার না থাকলে, তাঁকে স্থানান্তরের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে সক্ষম হয়ে থাকে।”
হান্টাভাইরাস আক্রান্ত মহিলা গত এপ্রিলে ডাচ মালিকানাধীন এমভি হন্ডিয়াস প্রমোদতরিতে ছিলেন। তখন তাঁকে যাত্রী হিসেবে স্থানান্তর করা হয়। যাত্রী হিসেবে ছিলেন তার পেছনে নিয়মিত নৌযান ও বিমানবন্দর নেই এই দ্বীপে মাত্র ৫০ জন বাসিন্দা রয়েছে। এ ঘটনার ফলে মন্ত্রণালয়ের সামনে আরেকটি বিকল্প রয়েছে বলে জানান এক কর্মকর্তা।
মার্কিন কূটনৈতিক দূর্স্থ সংকট নিয়ে কংগ্রেসের প্রস্তাব
পিটকেয়ার্ন থেকে সেই মার্কিন নাগরিককে সরিয়ে নিয়ে সেই মহিলা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানো হয়েছে বলে জানা গেছে। তাঁকে পাঠানোর জন্য ফরাসি উপনিবেশ তাহিতি দ্বীপের দিকে প্রাথমিক চেষ্টা করা হয়েছিল। পিটকেয়ার্ন থেকে পাঠানোর প্রাথমিক চেষ্টা তাহিতিতে সমুদ্রপথে ৩০ ঘণ্টা দিয়ে সম্পন্ন হয়েছিল।
তাহিতি দ্বীপে যাত্রী সরিয়ে নিয়ে গিয়ে মার্কিন যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনার প্রভাবে মন্ত্রণালয়ের সামনে আরেকটি বিকল্প রয়েছে বলে জানান এক কর্মকর্তা। যার হলো তহবিলের ঘাটতি পূরণে কংগ্রেসের কাছে প্রস্তাব দেওয়া।
যুক্তরাষ্ট্রের এমন দুজন কর্মকর্তা কারণে নাম প্রকাশ না করে এ বিষয়ে কথা বলেছেন। তাঁদের মতে, মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি এবং ইবোলা আক্রান্ত দেশগুলো থেকে বিশেষ সহায়তা করার জন্য ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে যে সকল মার্কিন কর্মকর্তা ও নাগরিককে বাড়তি খরচে পৌঁছানো হচ্ছে।
পিটকেয়ার্ন দ্বীপে ক্যাপ্টেন উইলিয়াম ব্লাইয়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘটেছিল যা ১৭৮৯ সালে প্রশান্ত মহাসাগরের জলসীমায় ব্রিটিশ জাহাজ এইচএমএস বাউন্টিতে ঘটেছিল। ওই দ্বীপে এখনও বিদ্রোহীদের বংশধরদের মধ্যে বেশির ভাগ বাসিন্দা রয়েছে। ফ্লেচার ক্রিশ্চিয়ান ও অন্যান্য ব্রিটিশ বিদ্রোহীদের আশ্রয় নেওয়া হয়েছিল।
যাত্রী উদ্ধারের ঘটনা থেকে বোঝা যায় হান্টাভাইরাস প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কতটা খরচ করেছে। এ কারণে মার্কিন যাত্রীদের সামগ্রিক খরচ বৃদ্ধি
