২০২২ থেকে ২০২৬: চার বছরে কী পেল, কী হারাল ব্রাজিল
২০২২ থ ক ২০২৬ – কাতার বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রথম দুঃস্বপ্ন থেকে চার বছর কেটে গেছে। গত এপ্রিলে নিজের মানসিক অবস্থার কথা বলতে গিয়ে নেইমার এ কথা বলেছিলেন: “মনে হচ্ছিল আমি কফিনের ভেতরে শুয়ে আছি আর সবাই এসে জিজ্ঞাসা করছে, ‘আরে, তুমি এখনো বেঁচে আছো?’” সেই পরাজয়ের পর ব্রাজিলের ফুটবল মানসিক বিপর্যয়ে ভুগুছে। কাতারে দুঃস্বপ্ন হারিয়ে বিদায়ের পর নতুন আশা ও কোচের আবির্ভাবের পর আবার এক বিশ্বমঞ্চে ফিরেছে দলটি।
২০২২ বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পর কোচ তিতে ছাড়েন। এরপর অনূর্ধ্ব-২০ দলের কোচ র্যামন মেনেজেস দায়িত্বে ছিলেন প্রায় ছয় মাস। তার পর ফার্নান্দো দিনিজ দায়িত্ব গ্রহণ করেন, কিন্তু বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে টানা তিন ম্যাচে হারার পর তাঁর অধ্যায়ও সংক্ষিপ্ত ছিল। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে দরিভাল জুনিয়র কোচ হন। তাঁর অধীনে ব্রাজিল কোপা আমেরিকার কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে পৌঁছে। তবে ২০২৫ সালের মার্চে আর্জেন্টিনার কাছে ৪–১ গোলে পরাজয়ের তিন দিনের মাথায় তাঁকে বরখাস্ত করা হয়।
২০২৫ সালের মে মাসে কার্লো আনচেলত্তি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। নিজেদের ইতিহাসে প্রথম বিদেশি কোচ নিয়ে বিশ্বকাপে নামছে ব্রাজিল। এই চার বছরে দলটি কোনো শিরোপা জিততে পারেনি। কনমেবল বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ব্রাজিল জিতেছে ৮টি ম্যাচ, ৬টি হার এবং ৪টি ড্র করেছে। আর্জেন্টিনার সঙ্গে দুটি ম্যাচে দুটি হার এবং কলম্বিয়া, প্যারাগুয়ে, বলিভিয়া ও ভেনেজুয়েলার কাছে হার দেখতে হয়েছে। বিশেষ করে কলম্বিয়ার বিপক্ষে হারটি ছিল ঐতিহাসিক। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে কলম্বিয়ার কাছে হারেনি ব্রাজিলের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত প্রথম বার।
“লোকে বলে এই ব্রাজিল সেই ব্রাজিল নয়, কিন্তু তারপরও এটা ব্রাজিলই”
নেইমারের সময় কেটেছে চোট ও পুনর্বাসনে। গত সাড়ে তিন বছরে তিনি মাঠে নেমেছেন মাত্র ৪টি ম্যাচে। এর মধ্যে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে বলিভিয়ার বিপক্ষে ৫–১ গোলে জয়ে তিনি ৭৭ গোলের রেকর্ড ভেঙে ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা হন। কিন্তু পরের মাসে উরুগুয়ের বিপক্ষে চোটে পড়ে মাঠ ছাড়েন। সেটিই এখন পর্যন্ত তাঁর শেষ ম্যাচ।
২০২২ থেকে ২০২৬—ব্রাজিলের এই চার বছর ছিল অস্থিরতার গল্প। তিন বছরে চার কোচের বদল ঘটে। কোপা আমেরিকায় কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় ও বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে পঞ্চম স্থানে থেকে সরাসরি বিশ্বকাপ নিশ্চিত করার প্রক্রিয�
