হাঁটার সময় বেখেয়াল হয়ে পড়ছেন না তো?
হ ট র সময় ব খ য় – যদিও গভীর গর্ত না থাকলেও রাস্তার পাশ দিয়ে নানা ঝুঁকি জন্ম নেয়। খানাখন্দে পা বেঁধে গিয়ে পড়ে যেতে পারেন যে কেউ। সাধারণ পথেও সামনে আসতে পারে ক্ষতিকারক অবস্থা, যেমন কলার খোসা বা পলিথিন। নিয়মিত হাঁটার পথে কখনও কখনও সেইসব বিপদের সামনে পড়তে হয়।
আপনার স্মৃতিতে আছে কি সেই শিশুটির কথা? মা ছিলেন তার সঙ্গে সঙ্গে। কিন্তু বিপজ্জনক একটি গর্তে পড়ে যায় শিশুটি। জীবনের আলো সেখানে নিভে যায়। অথবা আপনার কি সেই মায়ের কথা মনে পড়ে? জমে থাকা পানিতে হাঁটতে গিয়ে যিনি একখানা খোলা ম্যানহোলে পড়ে গিয়েছিলেন, তাঁর সাদামাটা সেল দিয়ে সন্তানদের ফিরে আসেনি।
ঘটনা হতে পারে কোনো কিছু বিপর্যয়ে
জীবনের মূল্য সবকিছুর চেয়ে বেশি। সুস্থতাকে বলা হয় সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। তাই চেনা বা অচেনা যেকোনো পথে চলার সময় সতর্ক থাকুন। হাঁটার সময় আপনি কখনও বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে থাকেন, কখনও হেডফোনে প্রিয় ছন্দময় শব্দ বাজে। সেলফোনে কথা বলার সময় কোনো দিকে না তাকিয়ে রাস্তা পার হয়ে যেতে হয়। আবার তাড়াহুড়ায় রুদ্ধশ্বাসে ছুটতে হয়।
যদি বিদ্যুতের তার জমে থাকে রাস্তার পানিতে, তাহলে সেই পানিতে পা দিলে মৃত্যু নিমেষেই ঘটতে পারে। রোদ ঝলমলে দিনেও ট্রাফিক আইন না মানা দুই চাকার বাহনে ধাক্কা লাগতে পারে হুট করে। বেপরোয়া যানবাহন চালকের জন্য আবার হুট করে মাথার �
