প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন যুক্ত হয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা
প র থম ক শ ক ষক – প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সরকারি পুলিশ দ্বারা যাচাই কাজ শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে সেই প্রক্রিয়া পূর্ণ হওয়ার পর নতুন করে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) এর তদন্ত শুরু হবে। এই পদে নিয়োগ প্রক্রিয়াতে এবার প্রথমবার এনএসআই অংশ গ্রহণ করেছে।
সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরিস্থিতিতে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পর চার মাস অতিবাহিত হয়েছে। কিন্তু নিয়োগপত্র পাওয়ার জন্য চাকরিপ্রার্থীদের অপেক্ষায় সময় বিস্তৃত হয়েছে। এছাড়া নতুন শর্তগুলি যোগ হওয়ায় তাঁদের উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা চরমে পৌঁছেছে।
পুলিশ ও এনএসআই যাচাই প্রক্রিয়া
বর্তমানে লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও, টাঙ্গাইল সহ দেশের প্রায় সব জেলার পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষ ধাপে রয়েছে। টাঙ্গাইল জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী শাহনেওয়াজ বলেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য পেয়েছি। তিনি জানান, মোট ১৯৭ জন প্রার্থীর যাচাই কাজ পরিচালনা করছি।
“পুলিশ বিভাগ গুরুত্ব সহ এই তদন্ত করছে।”
লালমনিরহাট জেলার ডিআইও-১ এস এম মঞ্জুরে বলেন, তারা চূড়ান্তভাবে মনোনীত ২৩০ জন প্রার্থীর যাচাই কাজ চালাচ্ছে। এখন তাঁদের কাজ শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে এই যাচাই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।
নতুন শিক্ষকদের নিয়োগ নীতি
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক বলেন, আটকে থাকা ১৪ হাজারের বেশি প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রার্থীদের যোগ্যতা দেখা হবে। নিয়োগপত্র পেয়ার পর তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পিটিআইতে পাঠানো হবে।
“নিয়োগ দেওয়ার পর প্রশিক্ষণ শেষে তাঁদের চূড়ান্ত পদায়ন করা হবে।”
নতুন নিয়ম অনুযায়ী নিয়োগের পর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়া শুরু করবে। চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য মোট চারটি ক্ষেত্র বিবেচনা করা হবে। প্রয়োজনীয় শর্তগুলি হলো পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্ট, এনএসআই যাচাই ফলাফল, প্রশিক্ষণের সফলতা এবং দুই বছর কাজের দক্ষতা।
৬১ জেলায় সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্তদের কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া অনুসারে অনেকে অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছেন। নীলফামারী জেলার একজন প্রার্থী বলেন, তিনি প্রচলিত বিধিমালা অনুযায়ী দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য স্মারকলিপি দিয়েছেন।
অপেক্ষা বৃদ্ধি করছে শিক্ষকদের আতঙ্ক
তাঁদের আরও আতঙ্ক আকার লাভ করছে নতুন নিয়মের কারণে। শিক্ষক হিসেবে দাবি জানাচ্ছেন এক প্রার্থী। তিনি বলেন, পূর্বে যোগদানের পর
