সাগরিকার শেষ মুহূর্তের জাদু, নেপালকে কাঁদিয়ে আরেকটি শিরোপামঞ্চে বাংলাদেশ
স গর ক র শ ষ ম – সাগরিকার শেষ মুহূর্তে করা স্পেশাল গোলটি বাংলাদেশের স্পোর্টস ইতিহাসে অপরিসন্ধিত মুহূর্ত হিসেবে রেখে দেওয়া হয়েছে। সাগরিকার শেষ মুহূর্তে বল করে গোল করার মাধ্যমে বাংলাদেশ অপেক্ষাকৃত স্থায়ী শিরোপা অর্জনে সফল হয়। সাগরিকার গোলটি ছিল ম্যাচের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত এবং তা দ্বারা বাংলাদেশের ক্রিকেট বিশ্বে আরও আধুনিক হওয়ার প্রমাণ দেখানো হয়েছে। এ খবর বাংলাদেশ সাবিনার স্পোর্টস সাইট থেকে আসা।
গোলের মুহূর্তে সাগরিকার স্পেশাল ভূমিকা
৯০ মিনিট শেষ হয়ে গেলো এবং অতিরিক্ত সময়ের তৃতীয় মিনিট চলছে। জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে স্নায়ুচাপ চরমে পৌঁছে। ঠিক সেই মুহূর্তে শামসুন্নাহার জুনিয়র বক্সের ভিতরে ঢুকে বল ঠেলে দিলেন গোল লাইনের সামনে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশ শিরোপার স্বপ্ন আবার জাগে।
ম্যাচের স্থানীয় সময় বেলা চারটায় শুরু হয়েছিল উত্তপ্ত আবহাওয়ায়। মাথার ওপর চড়া রোদ এবং তীব্র গরম মাঠে দৌড়ানো দায় হয়েছিল। গত দুবার সাবিনারা সাফ কাঁপিয়েছিলেন দুপুর দাপটে বাংলাদেশের মাঠ পাশাপাশি ছিল নেপালের জয় নিশ্চিত করার সুযোগ।
২২ মিনিটে নেপাল প্রথম গোল করে এগিয়ে যায়। কর্নার থেকে জটলার মধ্যে বাংলাদেশকে স্তব্ধ করে গীতা রানা গোল করেন (১-০)। গোল খেয়ে বাংলাদেশের পুরো শিবির ব্যথা পেয়েছিল, কিন্তু সময় আসে বাকি মুহূর্তে ক্রমশ উত্থানের স্বপ্ন আবার জাগে।
৪৪ মিনিটে ম্যাচের সামনে এক বড় সিদ্ধান্ত নেন কোচ। মনিকা চাকমাকে ড্রেসিংরুমে প্রস্তুত করে মৌমিতার জায়গায় আনিকা প্রতিস্থাপিত হয়। সাগরিকা মাঠে ফিরে আসে আক্রমণভাগে দৃঢ় প্রতিরোধ সৃষ্টি করতে প্রস্তুত। সাগরিকার জাদু হিসেবে এ গোলটি নেপালের স্টাফ ছিল এ নিয়ে পরিচিত।
দ্বিতীয়ার্ধে পুনর্জন্ম সাগরিকার শিরোপার স্বপ্ন
প্রথমার্ধে বাংলাদেশের নির্বিষ ভাব কাটছিল না। নেপালের সাথে মাঠ ছেড়ে বাংলাদেশ তুলে ধরতে পারেনি। ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল গোল খুঁজতে দুর্দান্ত সময়। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে সাগরিকা একটি উৎকৃষ্ট ভূমিকা পালন করেন।
“এটি ছিল আমাদের সেরা অব্দি যে মুহূর্তে বাংলাদেশের সমস্ত খেলোয়াড় আকাশ ছেড়ে ফেলেছিল।” – বাংলাদেশ দলের কোচ বলেন।
সাগরিকার শেষ মুহূর্তে এ গোলটি মাঠের প্রতিটি প্রান্তে হাজার জন খেলোয়াড়কে উত্সাহিত করেছিল। নেপালের স্টাফ সেই মুহূর্তে অত্যন্ত প্রতিশ্রুতি হারিয়ে গেল। সাগরিকার শেষ মুহূর্তে জাদু হিসেবে বাংলাদেশ স্বপ্ন ছিল তা এখন সাকার হয়ে গেল
