Uncategorized

সরকারি চাকরিতে নারীর অংশগ্রহণ কমছে, কোটা পুনর্বহালের দাবি মহিলা পরিষদের

সরক র চ কর ত ন র - সরকারি চাকরিতে নারীর অংশগ্রহণ ক্রমাগত হ্রাস পাওয়ায় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংগঠনটি স্পষ্ট করে বলেছে, এটি কেবল একটি

Desk Uncategorized
Published July 28, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Jennifer Rodriguez - banglaprabah.com

সরকারি চাকরিতে নারীর অংশগ্রহণ নিয়ে উদ্বেগ

Banglaprabah.com – সরক র চ কর ত ন র – সরকারি চাকরিতে নারীর অংশগ্রহণ ক্রমাগত হ্রাস পাওয়ায় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংগঠনটি স্পষ্ট করে বলেছে, এটি কেবল একটি পরিসংখ্যানগত বিষয় নয়; বরং নারীর ক্ষমতায়ন, সমঅধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি গুরুতর নীতিগত চ্যালেঞ্জ। এই প্রেক্ষাপটে নারীদের জন্য বিশেষ ইতিবাচক ব্যবস্থা ও নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে নারীদের জন্য কোটা পুনর্বহাল করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করে সংগঠনটি।

আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ফওজিয়া মোসলেম ও সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সাম্প্রতিক নিয়োগসংক্রান্ত তথ্য ও বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে প্রশাসনে নারীর প্রতিনিধিত্ব কমে যাওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। ওই প্রতিবেদনের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।

নারীর অংশগ্রহণে বাধা ও চ্যালেঞ্জ

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশে এখনো উচ্চশিক্ষায় নারীর অংশগ্রহণ তুলনামূলক কম। পাশাপাশি পরিবার ও সমাজে দায়িত্বের অসম বণ্টন, নিরাপত্তাহীনতা এবং বৈষম্যমূলক সামাজিক প্রথার কারণে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায়ে নারীর উপস্থিতি সীমিত হয়ে পড়ে। ফলে নারীরা এখনো সমান প্রতিযোগিতার অবস্থানে পৌঁছাতে পারেন না। সরকারি চাকরিতে নারীর অংশগ্রহণ কমে যাওয়া কেবল একটি পরিসংখ্যানগত বিষয় নয়; এটি নারীর ক্ষমতায়ন, সমঅধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত চ্যালেঞ্জ।

এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের মতে, নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে নারীদের জন্য কোটা পুনর্বহাল করা জরুরি। সংগঠনটি বলেছে, এ ধরনের ইতিবাচক ব্যবস্থা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং জাতিসংঘের সিডও সনদেও এর উল্লেখ রয়েছে। নারীদের জন্য কোটা বহাল রাখা কেবল অধিকার রক্ষার প্রশ্ন নয়; এটি একটি গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনেরও পূর্বশর্ত।

সরকারি চাকরি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নারীরা সমান ও ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব অর্জন না করা পর্যন্ত নারীদের জন্য কোটাসহ বিশেষ ইতিবাচক ব্যবস্থা অব্যাহত রাখতে রাষ্ট্র ও সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছে তারা।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ বলেছে, সরকারি চাকরি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নারীরা সমান ও ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব অর্জন না করা পর্যন্ত নারীদের জন্য কোটাসহ বিশেষ ইতিবাচক ব্যবস্থা অব্যাহত রাখতে রাষ্ট্র ও সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছে তারা। এই দাবিটি নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধির পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন স্তরে নারীর ভূমিকা শক্তিশালী করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Leave a Comment