Uncategorized

শ্রীপুরে ঈদের ছুটি ও বেতনের দাবিতে আন্দোলন, পুলিশের লাঠিপেটা

শ্রীপুরে ঈদের ছুটি ও বেতন দাবি আন্দোলনে পুলিশের লাঠিপেটা শ র প র ঈদ র ছ - গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার কেওয়া পশ্চিম খণ্ড বহেরারচালা এলাকায় অবস্থিত মিতালী

Desk Uncategorized
Published May 21, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

শ্রীপুরে ঈদের ছুটি ও বেতন দাবি আন্দোলনে পুলিশের লাঠিপেটা

শ র প র ঈদ র ছ – গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার কেওয়া পশ্চিম খণ্ড বহেরারচালা এলাকায় অবস্থিত মিতালী গ্রুপের কেএসএস নিট কম্পোজিট লিমিটেড কারখানার সামনে ঈদুল আজহা উপলক্ষে শ্রমিকদের দাবিতে আন্দোলনের সময় পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঘটে।

শ্রমিকদের দাবি ও পুলিশের প্রতিক্রিয়া

ঈদের ছুটি এবং মে মাসের পূর্ণ বেতন দাবি তুলে শ্রমিকদের কয়েক দিন ধরে কারখানায় আন্দোলন চলছিল। কর্তৃপক্ষ বুধবার আশ্বাস দিয়ে শ্রমিকদের কাজে ফিরিয়েছিলেন, কিন্তু আজ সকালে কারখানার সামনে নোটিশ প্রকাশ করা হয় যে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধ করা হয়েছে। এ নিয়ে শ্রমিকরা উত্তেজিত হয়ে উঠেন।

“মে মাসের পূর্ণ বেতন ছাড়া ছুটি দিলে শ্রমিকদের বিপদে পড়া হয়েছে। বকেয়া বেতন দেওয়া না হওয়ায় আমাদের এভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে,” বলেন শ্রমিক মো. নজরুল ইসলাম।

কারখানা বন্ধের কারণ

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কারখানা বন্ধ ঘোষণার কারণ হলো সুইং সেকশনের কিছু শ্রমিকের পূর্বানুমতি ছাড়া ধর্মঘটের ফলে উৎপাদন কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটেছিল। এছাড়া কর্মকর্তাদের হুমকি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি কারণে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

“ঈদের ছুটি এবং অগ্রিম বেতন আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল, কিন্তু শ্রম আইন অনুযায়ী পরবর্তী করণীয় ও প্রাপ্য সুবিধা আইনানুগভাবে দেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে,” বলেন মিতালী গ্রুপের জিএম (এইচআর ও প্রশাসন) এ এম নুরুল আমিন।

পুলিশের কার্যক্রম ও ফলাফল

রাত ১২টায় কর্তৃপক্ষ কারখানা বন্ধ করে দেন। সকালে শ্রমিকরা কারখানার ভেতরে ঢুকতে চাইলে পুলিশ তাঁদের লাঠিপেটা করে সরিয়ে দেন। তবে কেউ আহত হননি। পরে কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন বলেন, কারখানা বন্ধ ঘোষণার পর সমস্যার সমাধানে পুলিশ তৎপরতার সাথে কাজ করেছে। ঘটনার পর শ্রমিকরা চলে গেছেন এবং পরিস্থিতি এখন শান্ত আছে।

Leave a Comment