সরকার দ্বারা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য প্রবেশগম্য প্রবেশমুখ ও ব্যবহারযোগ্য টয়লেট স্থাপন বাধ্যতামূলক করার প্রকল্প প্রকাশ করা হয়েছে
র স ত র হ ট ল – নগরের এক জন প্রতিবন্ধী মানুষ তার পরিবারের সঙ্গে রেস্তোরাঁয় যাওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল। কিন্তু সে দেখেছিল যে রেস্তোরাঁটির প্রবেশপথে কয়েক ধাপ সিঁড়ি রয়েছে। তার ভেতরে ঢোকার ব্যবস্থা করা হয়নি। যেখানে সুবিধার ব্যবস্থা করা গেলেও সে আবার ব্যবহারযোগ্য টয়লেট পাচ্ছে না। এমন ক্ষেত্রগুলো দেশের বেশির ভাগ রেস্তোরাঁ, আবাসিক হোটেল ও ক্যাফেতে চলছে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিটি করপোরেশনগুলো আপনাদের রেস্তোরাঁ, হোটেল ও ক্যাফেতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য র্যাম্প ও টয়লেট স্থাপন করতে বাধ্য করা হয়েছে। বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠান নির্দেশনা মতো কাজ করতে ব্যর্থ হবে, তাদের ট্রেড লাইসেন্স বাতিল অথবা নবায়ন বন্ধ রাখা হবে। এ বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় কাজ করতে সিটি করপোরেশনগুলোকে অনুরোধ করা হয়েছে।
জরিপে দেখা গেছে দেশে প্রতিবন্ধী মানুষের হার বেশি
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জাতীয় জরিপ অনুযায়ী, ২০২১ সালে দেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় ৪৬ লাখ। যা দেশের মোট জনসংখ্যার ২.৮ শতাংশ। শহরাঞ্চলে এই হার ২.৪৫ শতাংশ। ফলে একজন প্রতিবন্ধী মানুষকে রেস্তোরাঁ, হোটেল বা ক্যাফেতে প্রবেশ করতে হারামার দুর্দশা ঘটছে।
‘নগরের সেবা সবার জন্য। একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি যদি রেস্তোরাঁ, হোটেল বা ক্যাফেতে স্বাভাবিকভাবে প্রবেশ করতে না পারেন, সেটি শুধু অবকাঠামোগত ঘাটতি নয়, এটি নাগরিক অধিকারের প্রশ্ন।’
সিটি করপোরেশনগুলোকে লাইসেন্স দেওয়া ও নবায়নের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধীবান্ধব ব্যবস্থা গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষ করে নতুন রেস্তোরাঁ, ক্যাফে ও আবাসিক হোটেলগুলো শুরু থেকেই প্রতিবন্ধীবান্ধব অবকাঠামো তৈরিতে বাধ্য হবে। পুরোনো প্রতিষ্ঠানগুলোও ধাপে ধাপে পরিবর্তন আনতে হবে।
প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩-এর ৩৪ ধারায় গণস্থাপনায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করার কথা বলা আছে। এই আইনে গণব্যবহার্য ভবনে র্যাম্প, চলাচলের পথ ও টয়লেটের মতো বিষয়গুলো প্রতিবন্�
