শান্তি ও মৈত্রী বিস্তারের জন্য রাজধানীতে আলোচনা সভা
সভার প্রস্তুতি এবং আয়োজনকারী সংস্থা
শ ন ত প ত হল ধর – বুধবার বিকেলে রাজধানীতে বিশ্ব শান্তি ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে একটি কর্মশালা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার আয়োজন করে দক্ষিণ কোরিয়ার আন্তর্জাতিক শান্তি ও সেবা সংস্থা হ্যাভেনলি কালচার, ওয়ার্ল্ড পিস, রিস্টোরেশন অব লাইট (এইচডব্লিউপিএল) এবং পিস সেন্টার। এ অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার জন্য রিসসো কোসেই কাই, বাংলাদেশ ইয়ুথ এডুকেশন ফাউন্ডেশন, যুব দক্ষতা উন্নয়ন ইনস্টিটিউট, অতীশ দীপঙ্কর মেমোরিয়াল কমপ্লেক্স এবং নাগরি থিয়েটার সহযোগিতা করে।
অংশগ্রহণকারীদের মতামত এবং মুখ্য বক্তব্য
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ধর্মের নেতা, শিক্ষক, গবেষক, সাংবাদিক এবং সমাজ সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে ২২ জন অংশ নেন। রিসসো কোসেই কাই বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অশোক বড়ুয়া বলেন, ‘আমরা শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে কাজ করতে চাই। আমাদের সকল ধর্ম এবং বিশ্বাস সম্মান করা হয়। বাংলাদেশ ও কোরিয়া একসঙ্গে শান্তি ও অগ্রগতি ঘটাবে।’
হ্যাভেনলি কালচার, ওয়ার্ল্ড পিস, রিস্টোরেশন অব লাইটের (এইচডব্লিউপিএল) বাংলাদেশ শাখার পিস এডুকেটর ও টিম লিডার সাফায়েত হোসেন জানান, ‘শান্তির কোনো সংজ্ঞা নেই। জীবনে শান্তি পেতে হলে ধর্ম-বর্ণ-জাতি এবং প্রথার পার্থিব মূল্য ভুলে গিয়ে বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, হিন্দু এবং মুসলমান সবাই সহযোগিতা করতে হবে। সহনশীল আচরণের মাধ্যমে অপরের বিপদে নিজেকে মেলে ধরতে হবে। হিংসা ও প্রতিহিংসা বিস্তর হতে হবে। যদি আমরা মানুষ সত্যের ওপর ভিত্তি করে কাজ করি, তবে আমরা সুন্দর এবং বিশ্ব সুন্দর সমাজ গড়ে তুলতে পারব।’
সমঝোতা স্মারক সই হয়
সভার শেষ পর্বে দক্ষিণ কোরিয়া ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দৃঢ় করার জন্য আটটি প্রতিষ্ঠান এবং এইচডব্লিউপিএলের সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করে। এ সময় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে প্রশংসাপত্র বিতরণ করা হয়। সেন্ট্রাল ক্রিয়েটিভ কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল মোহাম্মদ জালালউদ্দিন রুমি বলেন, ‘এটি একটি বৈচিত্র্যময় দৃষ্টিভঙ্গির সমাবেশ। মানব জীবনের মৌলিক মূল্যবোধগুলো নতুন চোখে দেখা যায়। যৌথ কাজ ও পারস্পরিক সহযোগিতা আমাদের সকল কিছু সম্ভব করে তোলে।
