Uncategorized

রাস্তার ধারের এই বিক্রেতাদের দিন কাটছে কীভাবে

রাস্তার ধারে অবস্থান করছেন বাচ্চাগো সংসারের টেকা খুঁজছেন পারভীন আক্তার র স ত র ধ র র - শিশুমেলার ডিএনসিসি ওয়ান্ডারল্যান্ড পার্কের সামনে ফুটপাতে বসে পণ্য

Desk Uncategorized
Published July 5, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

রাস্তার ধারে অবস্থান করছেন বাচ্চাগো সংসারের টেকা খুঁজছেন পারভীন আক্তার

র স ত র ধ র র – শিশুমেলার ডিএনসিসি ওয়ান্ডারল্যান্ড পার্কের সামনে ফুটপাতে বসে পণ্য বিক্রি করছেন পারভীন আক্তার। তিনি সকাল ১০টায় আদাবর থানার সুনিবিড় এলাকায় থেকে হেঁটে আসেন। বিকেল চারটা পর্যন্ত খাবার পেয়ে নি। বর্তমানে কেবল ৮০ টাকার পণ্য বিক্রি হয়েছে তাঁর কাছে।

‘বাচ্চাগো পড়ানোর টেকা পামু কই? বাসাভাড়া আর খাওনের টাকাই তো অয় না। মানুষের সহায়তা নিয়ে কোনোরকমে চলতে অয়। স্বামী বাইচা থাকলে হয়তো রাস্তায় আইতে অইত না।’

পারভীন বলেন, কোনো সময় তাঁর স্বামীর আয়ের ভিত্তিতে সংসার চলত। কিন্তু আক্ষেপের কারণে স্বামীর মৃত্যুর পর বাসাভাড়া আর খাওনের খরচ সামলাতে তাঁদের প্রায় অসম্ভব। পারভীনের দুই সন্তান রয়েছে। মেয়েটি ১৮ বছর, ছেলেটি ১৪ বছর বয়স। একসময় সকলেই স্কুলে যেত। কিন্তু এখন তাঁদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেছে।

শিশুদের সাজানো ছোটখাটো নানা পণ্যগুলো দেখতে পাওয়া যায়। চুড়ি, মাথার ক্লিপ, ব্যান্ড, সেফটিপিন, মেহেদি, টুথব্রাশ, গলার মালা ও তামার আংটি সহ অনেক জিনিস। পারভীন বলেন, ‘বাসাত্তে খাইয়া আইছি। আবার যাইয়া খাব। খাওনের টেকা জোটে নাই।’

মাসের টেকা নিয়ে সংগ্রাম চলছে সংসারে

পুরান ঢাকার চকবাজার থেকে পণ্য কিনে তিনি শিশুমেলায় বিক্রি শুরু করেন। আক্তার বলেন, চাকরির পাশাপাশি এগুলো বিক্রি করে কিছু বাড়তি আয় হবে বলে আশা করেছিলেন। কিন্তু ব্যবসার অভিজ্ঞতা না থাকায় তাঁর পণ্য কিনে আনা দামের চেয়ে কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

গত দুই মাসে তিনি মাত্র ১ হাজার ৭০০ টাকার পণ্য বিক্রি করতে পেরেছেন। পারভীন বলেন, ‘ধার কইরা টাকা আনছিলাম। এখন চালানই ওঠাইতে পারতাছি না।’ তাঁর সংসারে আয় নিয়ে সংগ্রাম চলছে। শিশুটি কোথাও কাজে দিতে চান পারভীন। কিন্তু কেউ সাহায্য করেননি।

খেলনা বিক্রি করছেন রাজীব মিয়া শিশুমেলার দুই নম্বর ফটকের সামনে

রাজীব মিয়া বলেন, ‘সব মালের দাম বাড়ছে। মানুষ বাড়তি দাম দিতে চায় না। অনেকে শুধু জিগাইয়া যায়।’ তিনি ২৮ বছর বয়সী। ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার বাসিন্দা। বেলুন, বাঁশি, চরকি, পুতুল, প্লাস্টিকের হাঁস-মুরগি সহ নানা ধরনের খেলনা বিক্রি করছেন। কিন্তু বর্তমান বাজারে সংসার চালানো আরও কঠিন হয়েছে।

‘চালান গেলে আর লাভ থাহে না।’

রাজীবের স্ত্রী আর এক সন্তান থাকেন মোহাম্মদপুরের বাবর রোডে এক কক্ষের আধাপাকা ঘরে। মাসে সাড়ে সাত হাজার টাকা ভাড়া দিতে হয়। খাবারের তালিকাও ছোট হয়ে এসেছে। তিনি বলেন, ‘বেশির ভাগ দিনে আলুভর্তা আর ডাল দিয়াই চলতে হয�

Leave a Comment