Uncategorized

যে বিহারে নির্মিত হচ্ছে সর্ববৃহৎ ‘নির্বাণশয্যা’ বুদ্ধমূর্তি

রামুতে অবতরণ করছে সর্ববৃহৎ নির্বাণশয্যা বুদ্ধমূর্তি য ব হ র ন র ম - বিশ্বের বৌদ্ধ ঐতিহাসিক সংস্কৃতি এবং প্রকৃতির অপূর্ব সমন্বয় কক্সবাজারের রামুতে দেখা

Desk Uncategorized
Published July 5, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

রামুতে অবতরণ করছে সর্ববৃহৎ নির্বাণশয্যা বুদ্ধমূর্তি

য ব হ র ন র ম – বিশ্বের বৌদ্ধ ঐতিহাসিক সংস্কৃতি এবং প্রকৃতির অপূর্ব সমন্বয় কক্সবাজারের রামুতে দেখা যাচ্ছে। সবুজ পরিবেশে ঘেরা পাহাড় এবং প্রাচীন বৌদ্ধ বিহারগুলি এক অন্য দৃশ্য তৈরি করেছে। রামুর প্রাচীন রাংকূট বনাশ্রম বৌদ্ধ মহাবিহারে নতুন এক মহান স্মৃতিসৌধ নির্মাণ শুরু হয়েছে। এটি দেশের সর্ববৃহৎ নির্বাণশয্যা বুদ্ধমূর্তি হিসেবে পরিচিত হবে।

নির্বাণশয্যা বুদ্ধমূর্তিটি রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ির জোয়ারিয়ানালার পাহাড়ের ঢালুতে স্থাপিত হবে। এটি বুদ্ধের অন্তিম মুহূর্তে শায়িত অবস্থার প্রতিফলন। মূর্তিতে ডান হাত মাথার নিচে ভাঁজ করে রাখা হয়েছে যেন শান্তির বিশ্রাম প্রকাশ করছে। বাঁ হাতটি লম্বালম্বি ভাবে শরীরের উপরে বিস্তৃত। মূর্তির উচ্চতা ২৫ ফুট।

রাংকূট বনাশ্রমের পরিচালক ও অধ্যক্ষ কে শ্রী জ্যেতিসেন থের বলেন, মূর্তির নির্মাণ বিভিন্ন ব্যক্তির অনুদানে ঘটিয়েছে। ইতিমধ্যে এক কোটি টাকার বেশি খরচ হয়েছে। মূর্তির ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। অবশিষ্ট কাজের জন্য আরও এক কোটি টাকা ব্যয় হবে।

আধুনিক শিল্পের সমন্বয় করে এই স্থাপনাটি এশিয়ার বৌদ্ধ ভাস্কর্য শিল্পে বিশেষ স্থান অধিকার করবে বলে শিল্পী উত্তম বড়ুয়া মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, চীন, জাপানের বুদ্ধমূর্তি যে কোনো দেশে আরও দীর্ঘ হতে পারে কিন্তু রামুর নির্বাণশয্যার বৈশিষ্ট্য স্থাপনার প্রেক্ষাপট ও নির্মাণ শৈলীতে পরিলক্ষিত হবে।

রাংকূট বনাশ্রমের ঐতিহ্য ও প্রতীকী স্মৃতিসৌধ

রাংকূট বিহার কক্সবাজার শহর থেকে ২৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। প্রধান ফটকে লেখা আছে, প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট অশোক, স্থাপিত ২৬৮ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ। মূল ফটকে পা রাখতেই সামনে পড়ে ‘ঐতিহাসিক বুদ্ধনগর’। সেখানে ৮৪টি সারিবদ্ধ বুদ্ধমূর্তি স্থাপন করা হয়েছে। যা দেশের কোথাও নেই।

প্রতীকী সারনাথ ভাস্কর্য বটবৃক্ষের ছায়াতলে স্থাপিত হয়েছে। পূর্ব পাশে প্রতীকী লুম্বিনী ভাস্কর্য রয়েছে।

বিহারের নামকরণের পেছনে রয়েছে বুদ্ধের বক্ষাস্থি ধাতু। ‘রাং’ শব্দের অর্থ বক্ষাস্থি এবং ‘কূট’ শব্দের অর্থ পর্বত বা চূড়া। দুই শব্দের সমন্বয়ে হয়েছে ‘রাংকূট’। যার অর্থ দাঁড়ায় বুদ্ধের বক্ষাস্থিসংবলিত পর্বত। জায়গাটির নাম ছিল রাং-উ। কালক্রমে সেটি হয়ে গেল রামু।

সম্প্রতি নির্মিত প্রাচীন ঐতিহ্যের সমন্বয়

বিহারের ভিতরে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের মতে গৌতম বুদ্ধের বক্ষাস্থি সংরক্ষিত আছে। এ কারণে এখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মানুষ ছুটে আসছেন। রামুতে এখনও ২০টির বেশি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার রয়েছে। নির্বাণশয্যা বুদ্ধমূর্তি নির্মিত হলে প্রাচীন ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিক ভাস্কর্য শিল্পের এক সেতুবন্ধ তৈরি হবে।

মহাবিহারে তিন পাশে উ�

Leave a Comment