সরাইলে সংঘর্ষ এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাঙচুরের ঘটনা
সর ইল স ঘর ষ ন হত ঘটনার পর পর দাফনের কাজ শেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল এলাকায় সংঘর্ষ চালিয়ে দেয়া হয়। এ ঘটনায় হাদিম মিয়া (৫৫) নিহত হন এবং তাঁর লাশ দাফন করেই প্রতিপক্ষের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে ভাঙচুর এবং লুটপাট শুরু হয়। সংঘর্ষ সংঘটিত হয় কালীকচ্ছ ইউনিয়নের সূর্যকান্দি গ্রাম এবং ধর্মতীর্থ গ্রামের মধ্যে অর্থ বিতর্কের সমাপ্তির পর উদ্ভূত বিরোধের ফলে। ঘটনাটি ঘটেছিল গত রোববার সন্ধ্যার দিকে এবং সোমবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে সংঘর্ষের উত্তরাধিকারী ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে আঘাত হয়।
সংঘর্ষের শুরু এবং ঘটনার পরিচয়
সংঘর্ষের প্রারম্ভ হয়েছিল সূর্যকান্দি গ্রামের মোশাররফ হোসেন (৪৫) এবং ধর্মতীর্থ গ্রামের হাদিম মিয়ার মধ্যে অর্থ লেনদেনের বিতর্ক থেকে। এ ঘটনার পর সরাইল এলাকার নাগরিকদের মধ্যে ভিড় গড়ে ওঠে এবং পরিস্থিতি আশংকাজনক হয়ে ওঠে। গত রোববার সন্ধ্যায় মোশাররফ হোসেন এবং হাদিম মিয়ার মধ্যে সংঘর্ষ চালিয়ে দেয়া হয়। ঘটনাটি সোমবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে কালীকচ্ছ বাজার এলাকায় সম্পূর্ণ ভাবে চালিয়ে দেয়া হয়। এতে মোট বিশ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাঙচুরের শিকার হয়।
আরো বিস্তারিত তথ্য
সংঘর্ষে হাদিম মিয়া নিহত হন যিনি ধর্মতীর্থ গ্রামের শামছুল হকের ছেলে। ঘটনার পর তাঁর লাশ দাফন করা হয় সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে। দাফন কাজ শেষে ধর্মতীর্থ গ্রামের শত শত তরুণ লাখিসোঁটা নিয়ে সূর্যকান্দি গ্রামের শতাধিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়ে দেয়া হয়। এ সময় অগ্নিসংযোগও করা হয়। ঘটনার ফলে কালীকচ্ছ বাজারের সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই আঞ্চলিক মহাসড়ক যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য সংঘর্ষের সময় গ্যাসের শেল ছুড়ে হামলাকারীদের দূরে সরায় পারেনি।
সর ইল স ঘর ষ ন হত ঘটনার পর থেকে পুলিশ এবং স্থানীয় তথা সরাইল এলাকার নাগরিকদের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা চলছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সহকারী পুলিশ সুপার (সরাইল সার্কেল) মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, লাশ দাফনের পর সংঘর্ষ চালিয়ে দেয়া হয়। প্রতিপক্ষের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলি �
