যুদ্ধ আবার পুরোদমে ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা
য দ ধ আব র প র – মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বিমানবন্দর, রেলস্টেশন এবং সেতু সহ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। ইরান এর জবাবে কুয়েত, বাহরাইন, জর্ডান ও সৌদি আরবের মার্কিন সামরিক স্থাপনার উপর হামলা করেছে। এ সংঘাতে ইরানে কমপক্ষে ৫০ জন নিহত হয়েছেন। জর্ডানে ইরানের হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। একজন সেনা নিখোঁজ হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে পুনরায় যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা উঠেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই বলেছিলেন যে গত মাসে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করার লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের শর্তগুলো ওয়াশিংটন আর মানবে না। গতকাল শনিবার ইরানও এ বিষয়ে একই মত পোষণ করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র এমন আলোচনা আর না ফিরলে এ বিষয়ে সমঝোতা স্মারকের শর্ত লঙ্ঘন করতে চলবে।
প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, ২২ জুন সুইজারল্যান্ডে মধ্যস্থতাকারী কাতার ও পাকিস্তানের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নেতারা আলোচনায় বসেছিলেন। কিন্তু আলোচনার পর থেকে হামলার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
গতকাল টানা সপ্তম দিনের মতো ইরানে মার্কিন হামলা চালিয়েছে। ইরান জানায় যুক্তরাষ্ট্র শুধু সামরিক লক্ষ্য নয়, বিমানবন্দর, রেলস্টেশন এবং সেতু সহ বেসামরিক অবকাঠামোকেও নিশানা করছে।
গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এতে সব ফ্রন্টে সংঘাত বন্ধ করা, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা এবং পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি আনয়নের প্রতিশ্রুতি ছিল।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি গতকাল লিখিত বিবৃতিতে বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর ‘মূল্যহীন ও অকার্যকর’। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বারবার সমঝোতা স্মারকের শর্ত লঙ্ঘন করছে।
ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী সর্বশেষ হামলা চালিয়েছে ইরানের নজরদারি ব্যবস্থা, সামরিক রসদ অবকাঠামো, ভূগর্ভস্থ অস্ত্রভান্ডার ও নৌবাহিনীর অবকাঠামোকে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম বলেছে হরমোজগান প্রদেশে সর্বশেষ হামলায় তিন নিহত এবং আট আহত হয়েছে। ১১৬টি টেলিযোগাযোগ টাওয়ার অচল হয়েছে।
সৌদি
