বিশ্বকাপের বিশাল আয়োজন এবং তার প্রতিশোধ
ম য র ড ন র ক – ১৯৩০ সালে মন্টেভিডিওতে যে মহাযাত্রা শুরু হয়েছিল বিশ্বকাপ নামে, তা আজ শতবর্ষ পূর্ণ হলো। সেই ধূসর বিকেলে ক্ষমতার কাছে আসন্ন এবং ক্ষমতা নিয়ে সংঘর্ষে ফুটবলের স্থান নেয়ার চেষ্টা ছিল অন্যতম ঘটনা। যেখানে রাগবি, বেসবল আর বাস্কেটবলের জোরে ফুটবল এগিয়ে আসছিল বলে মনে হত, তখন মার্কিন মুলুকে বিশ্বকাপ কিংবা বিশ্ব পুরাণ সম্পূর্ণ নতুন রূপ নেয়।
১৯৯৪ সালে আটলান্টিকে নোঙর ফেলে বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতা শুরু হয়। দর্শকদের নিয়ম কর্পূর করে পরিচয় দেওয়ার জন্য অদীক্ষিতদের জন্য গাইড বুক ছাপানো হয়েছিল। প্রায় ৩৬ লাখ দর্শক প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেছিলেন, যার মাধ্যমে প্রতিটি ম্যাচে গড়ে প্রায় ৬৯ হাজার দর্শক উপস্থিত হয়েছিল। যদিও ২০১৪ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় ১২টি ম্যাচ বেশি হলেও মোট দর্শকসংখ্যা মার্কিন মুলুকের রেকর্ড ছুঁইতে পারেনি।
১৭ জুন শিকাগোর সোলজার ফিল্ডে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডায়না রস নামে এক পপ তারকা গান গাইতে গাইতে পেনাল্টি কিক নেওয়ার কথা ছিল। পরিকল্পনা ছিল, তাঁর শটে প্লাস্টিকের গোলপোস্টটি ভেঙে যাবে। কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে রস বলটি ভেঙে বাইরে মারলেন। যার ফলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে মজাদার ‘ব্লুপার’ হিসেবে তা বিবৃত হয়েছিল।
বিশ্বকাপের চার গোল আর আসল নির্বাচন
২৮ জুন স্ট্যানফোর্ড স্টেডিয়ামে রাশিয়া-ক্যামেরুনের ম্যাচটি নিয়মরক্ষার সাথে শুরু হয়েছিল। কিন্তু সেই ম্যাচটি বিশ্বকাপের ইতিহাসে দুই রেকর্ড গড়ে তুলেছিল। ক্যামেরুনের রজার মিলা বিশ্বকাপের সবচেয়ে বয়োবৃদ্ধ গোলদাতার চিহ্ন হিসেবে আখাড়া করেছিলেন, যে গোল আদৌ দুই রেকর্ড বিবৃত হয়েছিল। ওদিকে রাশিয়ার ওলেগ সালেঙ্কো এক ম্যাচে ৫ গোল করে বিশ্বকাপের ইতিহাসের নতুন বাজার ছুঁয়েছিলেন।
ম্যারাডোনার বিদায় বিশ্বকাপের ইতিহাসের সবচেয়ে ভারী দীর
