শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন
শ শ ও ক শ র ক – বিশ্ব শৈশব ও কৈশোর মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের উপলক্ষে ইউনিসেফ ও প্রথম আলোর সংগঠনে গোলটেবিল বৈঠকটি ঢাকার প্রথম আলো কার্যালয়ে ২৮ এপ্রিল ২০২৬ তে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে রয়েছে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. সাইফুন নাহার, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগবিদ্যা বিভাগের ডা. নাহিদ মাহজাবিন মোরশেদ, ইউনিসেফ বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপক দেওয়ান মো. ইমদাদুল হক, আইসিডিডিআরবি এর মোহাম্মদ সোহেল শমীক এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফর চাইল্ড অ্যান্ড অ্যাডোলেসেন্ট মেন্টাল হেলথের সদস্যসচিব ডা. মো. নিজাম উদ্দিন এমনকি মনের বন্ধুর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদা শিরোপাও উপস্থিত ছিলেন।
অধ্যাপক ডা. সাইফুন নাহার বলেন, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন সর্বোচ্চ প্রাথমিকতা হতে হবে। যে কোনো শিশুর জীবনের শুরুতে তার মা-বাবা বা প্রধান যত্নকারীর সঙ্গে নিরাপদ সংযুক্তি গড়ে ওঠে না, তবে সেই সময়টিতে আস্থার সংকট তৈরি হতে পারে। যার ফলে মানুষের মনোসামাজিক ও নৈতিক বিকাশে গভীর প্রভাব পড়ে। তাই মানবিক ও সুস্থ মানুষ গড়ে তোলার জন্য এই প্রাথমিক বিকাশে সম্পূর্ণ গুরুত্ব দিতে হবে।
প্যারেন্টিং এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইতিবাচক প্যারেন্টিং কী—এটি না জেনে সন্তানের সঠিক লালন-পালন সম্ভব নয়। তাই অভিভাবকদের প্রশিক্ষণের ওপর জোর দিতে হবে। একই সঙ্গে তথ্যভিত্তিক গাইডলাইন, আধুনিক ডেটা সিস্টেম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম শক্তিশালী করা প্রয়োজন।
প্রথম আলো এর সহকারী সম্পাদক ফিরোজ চৌধুরী সঞ্চালনা করেছেন এই বৈঠকটি। তিনি বলেন, স্কুলে মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা, বুলিংবিরোধী কার্যক্রম ও শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ আরও বিস্তার লাভ করতে হবে। সমস্যাগুলো বড় হওয়ার আগেই চিহ্নিত করা গেলে অনেক জটিলতা দূর হয়।
বিশাল ব্যবধান কমাতে হলে দ্রুত শনাক্তকরণ ও কার্যকর রেফারেল জরুরি
২০১৯ সালের জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য জরিপে দেখা গেছে
