ময়েমানুষ নয়, মানুষ: লিঙ্গ বিভাজন থেকে মুক্তির প্রয়োজন কেন?
ম য় ম ন ষ নয় ম – যখন একটি শিশু জন্ম নেয়, তখন সমাজ তাকে মানুষ হিসেবে চিহ্নিত করে কিন্তু তার প্রথম কান্নার মাধ্যমে কি জানতে পারে যে তার জন্ম সম্পর্কে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে? যেখানে তার শরীরে যে লিঙ্গ বিস্তার পেয়েছে তা প্রথম দৃষ্টি আকর্ষণ করে দেয় কিন্তু সমাজ তার নির্দিষ্ট শ্রেণির পরিচয় দেয়। ময়েমানুষ নয় মানুষ হওয়ার পরিবর্তে এই বিভাজন তার সম্পূর্ণ জীবনের গতিপন্থা নির্ধারণ করে। আমাদের চোখের সামনে মানুষের চূড়ি দেখায় কিন্তু ময়েমানুষ নয় শব্দটি মানুষের সম্পূর্ণ অর্থ বহন করে না।
শিশু থেকে মানুষ হওয়ার প্রক্রিয়া
ছেলে হলে অপেক্ষা কম প্রশ্ন জাগে কিন্তু ময়েমানুষ নয় মানুষের জন্ম বিষয়টি যেন সমাজের স্থায়ী মানদণ্ডে পরিণত হয়। গল্পের বই ও খেলার মাঠের মাধ্যমে শিশু জীবনের স্বপ্ন অর্জনের প্রস্তুতি করে থাকে কিন্তু ময়েমানুষ নয় শিশু যেন সীমাবদ্ধ বৈষম্যের মুখোমুখি হয়। যেখানে ছেলেদের জন্য বিজ্ঞানের সীমা নেই, ময়েমানুষ নয় মেয়েদের বাস্তবতার ধারণা সীমাবদ্ধ হয়ে ওঠে। সমাজ যেন তাদের নারীত্বের নৈতিক ও সামাজিক কাঠামোতে চোখ দিয়ে সম্পূর্ণ সম্পর্কে কাজ করে।
বৈষম্যের বাস্তবতা আর অনুমানের মাধ্যমে
ময়েমানুষ নয় মানুষের জীবনের শুরু করে সমাজ যেন বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবর্তনের অভাব দেখায়। কেননা বৈষম্য যেন পোশাক ও আচরণের ভিত্তিতে সংঘটিত হয় কিন্তু ময়েমানুষ নয় মানুষ হওয়ার জন্য তারা চিন্তার গুণে বিচার করা হয়। সমাজের এই প্রক্রিয়া শিশু থেকে যেন শুধু লিঙ্গের মূল্যায়ন করে। সে হিসেবে তারা যে সব সময় মাথা নত করতে হয় যেন ময়েমানুষ নয় মানুষ দুর্বল ও অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত হয়।
মানুষের পরিচয় তার লিঙ্গে নয়, তার চরিত্রে। যেহেতু তার পরিচয় বিয়ে নিয়ে নির্ধারিত হয়, ময়েমানুষ নয় মানুষ শিশু থেকে সংসার প্রতি সামাজিক দায়বদ্ধতার দিকে চলে। যেন ময়েমানুষ নয় মানুষের জীবন একটি গৃহ পরিচালনা নির্ভরতার দিকে পরিচালিত হয়। এই ধরনের বিভাজন যেন প্রতিটি কথার সাহায্যে শুরু হয়।
ময়েমানুষ নয় মানুষের সম্পর্কে প্রতিটি প্রশ্ন করে সমাজ তার পোশাক ও আচরণ দিয়ে চিহ্নিত করে। কিন্তু যেহেতু ময়েমানুষ নয় মানুষ চিন্তার গুণে তারা বিচার করে কিন্তু বৈষম্যের কারণ হতে হয় যেন ময়েমানুষ নয় মানুষ হিসেবে আপন করে ওঠে। যেখানে তার জীবন সব সময় বৈষম্য প্রতি নির্ভরতা বহন করে।
যে সমাজ ময়েমানুষ নয় মানুষ সম্পর্কে নিয়ম করে দেয়, সে যেন শিশু থেকে মানুষ হওয়ার প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে। যেহেতু তার চোখ দিয়ে ময়েমানুষ নয় মানুষের জীবন প্রতিবেশ
