‘ভুল মানুষের সঙ্গে বিয়ে হলে কেউই সুখী হবে না’
ভ ল ম ন ষ র সঙ – স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র দিয়ে অভিনয়জীবন শুরু করেন মেধা শংকর। এরপর তাঁকে বড় পর্দায় সম্মানজনক সাফল্য দেয় বিশেষ ছবি ‘টুয়েলভথ ফেল’। ছবিটি তাঁকে শুধু জনপ্রিয়তা দেয়নি, বরং তাঁকে ‘জাতীয় ক্রাশ’-এর তকমা এসে দেয়।
মেধার মতে, তাঁর ব্যক্তিগত পরিচয় অনেকটা এসেছে সমাজের জন্য নয়, বরং এটি মানুষের প্রতি ভালোবাসা থেকে উঠেছে। তবে ছবিটির সাফল্য তাঁর কাছে একটি বড় সাফল্য ছিল।
তাঁর পরিবার মূলত শিক্ষা ও প্রযুক্তিনির্ভর পেশার সঙ্গে যুক্ত। পরিবারের সবাই বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করলেও তিনিই একমাত্র বাণিজ্য বিভাগে পড়েছিলেন। তাঁর বাবা আইআইটি থেকে পড়াশোনা করেছেন। ফলে মেয়ের অভিনয়ে আসার সিদ্ধান্ত প্রথমে সহজভাবে নিতে পারেননি তিনি।
মেধার ধারণা ছিল যারা পড়াশোনায় দুর্বল, তারাই অভিনয়ে আসে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই ধারণা বদলে যায়। অডিশনে যাওয়ার সময় পর্যন্ত তিনি মেয়ের সঙ্গে থেকেছেন। মেয়ের একাগ্রতা দেখে ধীরে ধীরে তাঁর আস্থা তৈরি হয়।
অভিনয়জীবনের শুরুর সময়টা মোটেও সহজ ছিল না। নিয়মিত অডিশন দিচ্ছিলেন তিনি, কিন্তু কাজ আসছিল না। করোনাকালে সঞ্চয়ও প্রায় শেষ হয়ে যায়। মধ্যবিত্ত পরিবারের একজন তরুণী হিসেবে তাঁর অর্থনৈতিক অস্বস্তি ভীষণভাবে নাড়া দিত।
তবে সেই কঠিন সময় তাঁকে টিকিয়ে রেখেছিল আত্মবিশ্বাস আর দৃঢ়তা। মেধার উপলব্ধি, ‘আপনি সফল না হওয়া পর্যন্ত কেউ আপনার ওপর আস্থা রাখবে না। টুয়েলভথ ফেল-এর আগে আমার প্রতিভা ছিল না, এমন নয়। কিন্তু তখন কেউ বিশ্বাস করত না।’
সমাজে এখনো ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা সিএ পেশাকেই বেশি মর্যাদার চোখে দেখা হয়। তবে মেধা মনে করেন, অভিনয়, গান, মডেলিং কিংবা ট্রেনে বাদ্যযন্ত্র বাজানো—প্রত্যেক কাজেরই নিজস্ব সম্মান আছে। কোনো পেশাকেই ছোট করে দেখার সুযোগ নেই।
ক্যারিয়ারের শুরুতে একের পর এক প্রত্যাখ্যানের মুখোমুখি হলেও সেগুলোকে ব্যক্তিগতভাবে নেননি মেধা। তাঁর বিশ্বাস, যে মানুষ আপনাকে চেনে না, তার নেতিবাচক মন্তব্যকে নিজের আত্মসম্মানের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলার কোনো মানে নেই। বরং তিনি মনে করেন, জীবনে ইতিবাচকভাবে এগিয়ে যাওয়াই গুরুত্বপূর্ণ।
তাঁর ভাষায়, ‘চারজন আপনার সম্পর্কে খারাপ বলবে, আবার চারজন আপনাকে ভালোও বাসবে। কিন্তু আমরা বেশির ভাগ সময় সেই মানুষগুলোকেই বেশি গুরুত্ব দিই, যারা খারাপ কথা বলে।’
সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ‘গিন্নি ওয়েডস সানি ২’ ছবিতে অভিনয় করেছেন মেধা। ছবিটির বিষয়বস্তু যেহেতু ব
