মেঘনার পাড় যেন ‘মিনি কক্সবাজার’, পর্যটকের ভিড়
ম ঘন র প ড় য ন – মেঘনা নদীর পাড়ে বিকেলের আকাশ শোভন হয়েছে সূর্যাস্তের লালচে আভা দিয়ে। সেখানে জায়গার সৌন্দর্য ও পরিবেশের বিশেষত্ব দেখা যাচ্ছে। জলরাশি এবং বিস্তৃত ঢেউ আকর্ষণীয় স্থানটিকে নোয়াখালী থেকে আসা ট্রলারে চড়ে নৌভ্রমণ করা পর্যটকদের টানে। এ অঞ্চলটি সাধারণত লক্ষ্মীপুরের উপকূলীয় উপজেলা রামগতির চর আলেকজান্ডারে অবস্থিত। প্রথম দেখায় অনেকে এ জায়গাকে সমুদ্রসৈকত মনে করতে পারেন। স্থানীয়দের কাছে এ স্থানের পরিচিতি পেয়েছে ‘মিনি কক্সবাজার’ নামে।
অনেক দিন পর খোলামেলা পরিবেশে এসে মানুষ মুগ্ধ হয়েছে। নদীর বাতাস ও সূর্যাস্ত দেখে নানান মানুষ আসেন। অনেকে পরিবার নিয়ে এখানে ঘুরতে আসে। ঈদের ছুটিতে নোয়াখালী থেকে বন্ধুদের নিয়ে আসা তুষার মাহমুদ বলেন, ‘ফেসবুকে আলেকজান্ডারের ভিডিও দেখে আসার ইচ্ছে ছিল। নদী ভ্রমণে অনেক দিন পর আসা আমার জন্য আনন্দের বিষয়।’
রাজু আহমেদ বলেন, ‘আলেকজান্ডারে যাওয়া বিশেষ করে বিকেলে মনে হচ্ছে যেন একটি সমুদ্রসৈকতে আছি। চর দেখা ও জেলেদের মাছ ধরা দৃশ্যটি খুব সুন্দর।’
পর্যটকদের আকৃষ্ট করেছে এই জায়গার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। নদীর চৌপাশে বিস্তৃত জলরাশি ও শীতল বাতাস দেখা যায়। অনেকে বিকেলে সূর্য ডোবার দৃশ্য দেখতে আসেন। অবশ্য এখানে অনেক ঝুকিও রয়েছে। ট্রলার ও স্পিডবোট ব্যবহারকারীদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তাসামগ্রী নেই। অনেক সময় অতিরিক্ত যাত্রী নিয়েও নৌভ্রমণ হয়। এছাড়াও স্থানে বসার জায়গা ও স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার কম।
নদীভাঙন ঠেকাতে নির্মিত বাঁধের কারণে চর আলেকজান্ডারের পরিবেশ বেলাভূমির মতো হয়েছে। পর্যটনের জন্য নিরাপত্তা বাড়ানো এবং পরিকল্পনা করা প্রয়োজন। লক্ষ্মীপুরের শিক্ষক মুকুল চৌধুরী বলেন, ‘বাঁধের কারণে এখানে বিনোদনের কেন্দ্র হয়েছে। কিন্তু এটি টেকসই হবে না সংরক্ষণ ও পরিকল্পনা ছাড়া।’
ষাটোর্ধ্ব মোহাম্মদ বাবুল হাওলাদার বলেন, ‘লক্ষ্মীপুরে বিনোদনের জায়গা খুব কম। তাই মানুষ পরিবার নিয়ে আসে।’ রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন বলেন, ‘আলেকজান্ডারে পর্যটকদের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। ট্রলার ও স্পিডবোটে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। স্বাস্থ্যসম্মত গণশৌচাগার নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।’
লক্ষ্মীপুর শহর থেকে আলেকজান্ডার মে�
