ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে আংশিক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা
ইসর য ল ও হ জব ল – লেবানন ঘোষণা করেছে যে সাম্প্রতিক সংঘাতে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে আংশিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি করা হয়েছে। ঘোষণাটি গতকাল সোমবার করা হয়, যা সংঘাতের উত্তেজনা কিছুটা কমিয়ে আনে। প্রতিদিন হাজার লেবাননি নিহত হয়েছেন গত কয়েক দিনে চলা যুদ্ধে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েল একত্রে ইরানের ওপর হামলা চালায়। মার্চে ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে অভিযান শুরু করে। সেখানে গতকাল সন্ধ্যায় সংঘর্ষ চলছিল। আজ মঙ্গলবার ভোররাতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ঘোষণা করেছে যে লেবানন থেকে উত্তর ইসরায়েলের দিকে ছোড়া দুটি প্রজেক্টাইল তারা ভূপাতিত করেছে। কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
যুদ্ধবিরতির চুক্তি
লেবাননের দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, এ চুক্তি চলমান সংঘাতের পূর্ণ অবসান ঘটাবে না। তবে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের ওপর আক্রমণ বন্ধ রাখবে। ইসরায়েলকে হিজবুল্লাহ নিয়ন্ত্রিত বৈরুত ও তার শহরতলিতে হামলা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
“মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের ওপর হামলা না চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।”
পূর্বে কোনো আমেরিকান প্রেসিডেন্ট হিজবুল্লাহর সঙ্গে সরাসরি বা মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে কথা বলেনি। তবে যুক্তরাষ্ট্র হিজবুল্লাহকে একটি ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।
“ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বৈরুতে হামলার প্রস্তুতি গুটিয়ে নিতে সম্মতি দিয়েছেন।”
ট্রাম্প আরও জানিয়েছেন যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ৪৫ দিন বাড়ানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিবৃতিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সব ফ্রন্টে চালু করা হয়েছে। ইরান তেহরানে ইসরায়েলি হামলা বন্ধের দাবি জানিয়েছে যা লেবাননে যুদ্ধবিরতি হিসেবে গ্রহণ করা হবে।
লেবাননের পার্লামেন্টের সদস্য হাসান ফাদলাল্লাহ বলেন, মিলিশিয়া গোষ্ঠী ইসরায়েলি সেনার প্রত্যাহারের পূর্বশর্ত হিসেবে পূর্ণ যুদ্ধবিরতি সমর্থন করবে। কিন্তু ইসরায়েলের ভূখণ্ডে হামলা বন্ধ করার বিষয়ে তিনি স্পষ্ট বিবৃতি দিয়েছেন না।
গত ২ মার্চ ইসরায়েল হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে। লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ শহর নাবাতিয়েহর উপকণ্ঠে ইসরায়েলি সেনা অগ্রসর হচ্ছে। তারা গত ২৫ বছরে লেবাননে সবচেয়ে গভীরে অনুপ্রবেশ করেছে।
