Uncategorized

মিয়ানমারে আরাকান আর্মির হত্যাযজ্ঞ: দুই বছরেও প্রতিকার পাননি রোহিঙ্গারা

মিয়ানমারে আরাকান আর্মির হত্যাযজ্ঞ: দুই বছরেও প্রতিকার পাননি রোহিঙ্গারা ২০২৪ সালের ২ মে ম য় নম র আর ক ন - রাখাইন রাজ্যের বুথিডংয়ের হোইয়ার সিরি গ্রামে আরাকান

Desk Uncategorized
Published May 19, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

মিয়ানমারে আরাকান আর্মির হত্যাযজ্ঞ: দুই বছরেও প্রতিকার পাননি রোহিঙ্গারা

২০২৪ সালের ২ মে

ম য় নম র আর ক ন – রাখাইন রাজ্যের বুথিডংয়ের হোইয়ার সিরি গ্রামে আরাকান আর্মির হাতে নিরস্ত্র মানুষের ওপর গুলি চালানো হয়। নিখোঁজ এবং মৃত হয়েছে বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গা মুসলিম স্থানীয় বাসিনদের। ঘটনার দুই বছর পেরিয়েছে কিন্তু প্রাণে বেঁচে থাকা মানুষদের অনেকে ঘরে ফিরতে পারেননি। আহত হওয়া ব্যক্তিদের মাঝে বেশির ভাগ রোহিঙ্গা মুসলমান বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ায় পালিয়ে যায়।

আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের বিবরণ

গতকাল সোমবার থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে প্রকাশিত হয়েছে এইচআরডব্লিউর কাছে পৌঁছেছে রোহিঙ্গা সংকটের বিস্তারিত বিবরণ। এই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে আরাকান আর্মি যুদ্ধ আইন লঙ্ঘন করে থাকতে পারে। বেসামরিক মানুষের ওপর হত্যা, লুটপাট, ধ্বংস ও নিয়োগসহ গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে সংঘটিত ঘটনা।

“২০২৪ সালে রাখাইন রাজ্যে শত শত বেসামরিক রোহিঙ্গাকে হত্যা এবং তাঁদের গ্রামে আগুন দিয়ে আরাকান আর্মি দেশটির জান্তার সঙ্গে চলা সংঘাতকে নৃশংসতার নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে,” বলেন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের উপপরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলি।

সীমান্ত পেরিয়ে আসা সাক্ষী

২০২৫ সালের জুলাইয়ে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে চলে আসে ওমর আহমদ রোহিঙ্গা। তিনি কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে ঠাঁই নেন। তাঁর বিবরণ অনুযায়ী আরাকান আর্মি বেসামরিক মানুষকে গুলি চালায় যখন তারা ওই গ্রাম থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর আটক করেছে।

“ওরা প্রথমে আমার ছেলেকে গুলি করে হত্যা করে। এরপর আমার স্ত্রী ও শিশুকন্যাকে, শেষে আমার আরেক মেয়েকেও গুলি করা হয়,” বলেন একজন ভুক্তভোগী।

“কাউকেই রেহাই দেওয়া হয়নি। আমার স্বামী গুলিবিদ্ধ হন। আরাকান আর্মির সদস্যরা যখন দেখল, তিনি তখনো বেঁচে আছেন; তখন আরও কয়েক দফা গুলি চালানো হয়,” বলেন বেঁচে ফেরা একজন নারী।

রোহিঙ্গারা ও সংঘাতের বিস্তার

গ্রামটিতে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞে ১৭০ জনের বেশি নিখোঁজ এবং নিহত হয়েছেন বা এখনো বেঁচে আছেন। এর মধ্যে ৯০ জন শিশু রয়েছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে নিহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। আরাকান আর্মি সংঘাতে বেসামরিক মানুষকে জোর করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করেছে।

২০২৪ সালের আগস্টে আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা ওই এলাকায় সফর করেন। এরপর হত্যাযজ্ঞের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে।

Leave a Comment