Uncategorized

ইসরায়েলের যে হামলা ভবিষ্যৎ যুদ্ধের জ্যামিতি বদলে দিল

ইসরায়েলের হামলা ভবিষ্যৎ যুদ্ধের নতুন মোড় ঘটিয়েছে ইসর য় ল র য হ মল - বিশ্বের যুদ্ধের ইতিহাসে বিভিন্ন সময় দেখা গেছে যে মহান যুদ্ধ কেবল মানচিত্র পরিবর্তন করে

Desk Uncategorized
Published May 19, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ইসরায়েলের হামলা ভবিষ্যৎ যুদ্ধের নতুন মোড় ঘটিয়েছে

ইসর য় ল র য হ মল – বিশ্বের যুদ্ধের ইতিহাসে বিভিন্ন সময় দেখা গেছে যে মহান যুদ্ধ কেবল মানচিত্র পরিবর্তন করে না, বরং যুদ্ধের পদ্ধতিও ধরনও পরিবর্তন করে। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো যে কৌশলগত পরিবর্তন ঘটিয়েছে তা প্রমাণ করছে যে পুরোনো যুদ্ধের নিয়ম আর কাজ করছে না।

তার মধ্যে সামান্য সময়ের ব্যবধান থাকলেও প্রযুক্তির একটি অবিচ্ছিন্ন অংশ ছিল। দোহায় প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল হামাসের নেতাদের মধ্যে যুদ্ধবিরতির কথা, যার সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পৃক্ত ছিল। কিন্তু সেই বৈঠকটিই লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।

২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কম্পাউন্ডের উপরে স্প্যারো পরিবারের একটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়া হয়। এই হামলার সময় দুটি প্রযুক্তি সম্পূর্ণ অনুরূপ ছিল। প্রতি ঘটনার লক্ষ্য ছিল শত্রুর আকাশ ভেদ করা নয়, দূরে থেকেই আঘাত হানা।

অর্থাৎ সেই সময় যখন ইসরায়েল এই হামলা চালায়, তখন তার এফ-১৫ বিমান লোহিত সাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমার ওপর থেকে চলে। কিন্তু সৌদি আকাশে ঢুকে না থাকার জন্য পরিকল্পনা ছিল।

প্রতিরক্ষার স্তর এড়িয়ে যাওয়া জন্য সিলভার স্প্যারো ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র বিমানের সঙ্গে থাকে এবং নিজে চালিত হয়। বায়ুমণ্ডলে ওঠার পর প্রায় সোজা পথে নেমে আসে।

মার্কিন ঘাঁটির নিরাপত্তাচাদর ফালাফালা, বাদশাহ-আমিরদের কী হবে

তার গতি হাইপারসনিক বা শব্দের গতির চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি। বায়ুমণ্ডলে ঢোকার সময় ঘর্ষণে তাপ তৈরি হয় এবং প্লাজমার স্তর গঠিত হয়। এর ফলে রাডারে ধরা কঠিন হয়। ক্ষেপণাস্ত্রটি সোজা পথে উত্তর দিকে আঘাত হানে যেখানে বিমানযুদ্ধের প্রতিরোধ করা বেশি কঠিন হয়ে যায়।

এই প্রযুক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বিমানের ভেতরের সফটওয়্যার ও ডেটা নিয়ন্ত্রণ করা। তাই শুধু বিমান থাকলে হবে না, ভেতরের কোডের ওপর কর্তৃত্ব থাকতে হয়। ইসরায়েল এই কর্তৃত্ব পেয়েছে বলে এই ধরনের অপারেশন চালাতে পারছে।

Leave a Comment