ভ্যাট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সিদ্ধান্ত
ম র চ ন ট হ স – গত জানুয়ারি মাসের শেষে দেশে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে প্রায় সাড়ে ১৪ কোটি গ্রাহক রয়েছেন। এ মোট হিসাবে মার্চেন্ট হিসাবের সংখ্যা প্রায় ৫ লাখ ৫১ হাজার হিসাবে পৌঁছেছে। রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসায়িক হিসাবে ভ্যাট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নিয়েছে।
এ পরিকল্পনার কথা জানায় এনবিআর এক কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে করজালের আওতায় ব্যবসায়ীদের প্রতিষ্ঠানগুলো যুক্ত করার উদ্দেশ্যে ভ্যাট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর সীমিত পরিমাণে ভ্যাট আরোপ করা হতে পারে।’
ডিজিটাল লেনদেনের প্রতিবন্ধকতা
এনবিআর সূত্রমতে বর্তমানে দেশে ৭ লাখ ৯২ হাজার প্রতিষ্ঠান মূসক নিবন্ধনের মধ্যে রয়েছে। বিভিন্ন বাণিজ্যিক সংগঠন এই সংখ্যা বৃদ্ধি করার পরামর্শ দিচ্ছে। তাই গ্রামাঞ্চলের ছোট ব্যবসা উদ্যোগগুলোকে সুবিধা দিয়ে করজালের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
‘এ ধরনের প্রতিষ্ঠানকে করের আওতায় আনার আগে ডিজিটাল লেনদেনের পরিসর বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।’ এ বিষয়ে ডাক বিভাগের মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আভাস দেন।
টার্নওভার করসহ ডিজিটাল বৃদ্ধি
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী গত জানুয়ারি শেষে এমএফএস প্রতিষ্ঠানের মোট হিসাবে মার্চেন্ট হিসাবের সংখ্যা ৫ লাখ ৫১ হাজার। ব্যক্তিগত হিসাবের সংখ্যা প্রায় ৯ লাখ ৩৫ হাজার। আগামী অর্থবছরে ব্যাংকের চলতি হিসাবগুলোও ভ্যাট নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে।
নাম প্রকাশ না করে এনবিআরের কর্মকর্তা বলেন, ‘ব্যবসা করবে কিন্তু ভ্যাট নিবন্ধন থাকবে না, তা হতে পারে না। তাই নতুন হিসাব খুলতে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হবে।’
মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের প্রতিক্রিয়া
মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলো বলছেন, এমএফএস লেনদেনের জন্য মার্চেন্ট হিসাব খুলতে কাগজপত্র জমা দিতে হয়। ট্রেড লাইসেন্স ও ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হয়। যদি নতুন করে ভ্যাট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়, তবে গ্রাহকদের সেবা খাতের আগ্রহ কমে যেতে পারে।
বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান বলেন, ‘দেশজুড়ে ছড�
