তাঁরা দুজন: বিশ্বযুদ্ধের আগে ও পরে মাঠে নেমেছিলেন দুই খেলোয়াড়
ত র দ জন – বিশ্বকাপ মানে শুধু মাঠে দ্বন্দ্ব নয়, এর আশপাশে ঘূর্ণিত বহু সাংখ্যিক গল্পের কোলাজ। কিছু গল্পে ঐতিহাসিক বিতর্ক আছে, আছে রোমাঞ্চের আস্বাদন, আছে অজানা চমকের অনুভূতি। বিশ্বকাপে বিশেষ এক অপূর্ব কীর্তির কথা বলছেন দুই খেলোয়াড় নিয়ে এ আয়োজন—
পরপর দুটি বিশ্বকাপ খেলা এখন আর বড় কীর্তি নয়। এই তো এবার উত্তর আমেরিকায় হতে যাওয়া বিশ্বকাপে মেসি ও রোনালদো ছিলেন দুজনেরই সপ্তম বিশ্বকাপে অংশ নিতে হবে। তবে তাঁরা দুজনই অনন্য জায়গায় আছেন বিশ্বকাপের ইতিহাসে। নিলসন এবং বিকেল নামে দুই খেলোয়াড় যে কীর্তি নিয়ে আসছেন, তা দুই যুগের পরপর বিশ্বকাপে বিজয় তুলে ধরা।
সুইডেন ও সুইজারল্যান্ডের এক যুগে আসা ছাড়া অপূর্ব সৃষ্টি
১৯৩৮ সালে ফ্রান্সে বসে ছিল বিশ্বকাপের প্রথম আসর। যুদ্ধের আকাশে মেঘ জমছিল সেই সময়, তবে দুই মুখের খেলোয়াড় এক অসাধারণ রাউন্ডে মাঠে নেমেছিলেন। নিলসন সুইডেনের হয়ে প্রথম বিশ্বকাপে অংশ নিলেন যখন তিনি তার ক্রিয়াশীলতা বুঝিয়েছিলেন এক জার্সির মাঠে।
সেই ম্যাচে আদেমির বুটের গোড়ালিতে পেরেক দিয়ে নিজের নাম লেখা ছিল তাঁর বুট। ফুটবল ইতিহাসে সম্ভবত তিনিই প্রথম খেলোয়াড়, যিনি নিজের নাম লেখা বুট পরে মাঠে নেমেছিলেন।
অবিশ্বাস্য রাউন্ডে সুইডেন অধিনায়ক হিসেবে নিলসনের হাতে ইতালিকে হারিয়েছিল তাঁদের। কিন্তু ১৯৫০ সালে সাও পাওলোতে ব্রাজিল এগিয়ে যাওয়ার ফলে সুইজারল্যান্ডের নেতৃত্বে আদেমির দ্বারা সুইডেনকে হারিয়ে দিয়েছিল তাঁদের মাঠে স্বাগতিক ব্রাজিল।
যদিও নিলসনের সুইডেন অবশ্য ভেঙে পড়েনি। পরের বিশ্বকাপে তারা স্পেনকে হারিয়ে তৃতীয় হয়ে সমাপন করেছিল। টুর্নামেন্টের অল-স্টার দলেও সেই মুখকে স্থান পেয়েছিলেন নিলসন।
ফরোয়ার্ড ও লেফট-ব্যাক দুই ভূমিকার মধ্যে তাঁদের পরিচয়
ফ্রেডি বিকেল ছিলেন দারুণ এক ফরোয়ার্ড। সুইজারল্যান্ডের অধিনায়ক হিসেবে ম্যাচে তিনি সেই অসম্ভব সীমাতে সমতা ফেরায় সুইজারল্যান্ডকে জার্মানি। এছাড়া বিশ্বকাপে তাঁরা দুজন সুইজারল্যান্ড ও সুইডেনের অধিনায়ক হিসেবে মুখোমুখি হয়েছিলেন।
১৯৬২ সালে যখন জার্মানি এবং সুইজারল্যান্ড পুনরায় মুখোমুখি হলো, তখন ডাগআউটে তাঁদের পুরোনো মুখই সেই তিন বছর পর ফিরে এল। সেই ম্যাচে হারবারগার জার্মানি দ্বারা সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সমাপন করেছিল তাঁদের প্রতিশোধ নিতে।
তাঁদের মাঠে নেমেছিল সেই ইতিহাসের পাতার পুরোনো মুখ
মুসোলিনির সেই হুকুম এবং এথেন্সের রহস্যময় বাড়ি যে অপূর্ব কীর্তি তুলে ধরছে, তাঁদের মাঠে নেমে আছে দুই কোচের পরিচয়ও। সেপ হারবারগার এবং কার্ল রাপ্পান �
