Uncategorized

মাজারে ৫ লাখ টাকা কোথায় থেকে দিলেন সিলেটের বিদায়ী ডিসি সারওয়ার

সিলেটের বিদায়ী ডিসি সারওয়ার আলম মাজারে দান করেছেন কী কারণে ম জ র ৫ ল খ ট - সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে জেলা প্রশাসনের তহবিল থেকে সর্বমোট ৫ লাখ টাকা

Desk Uncategorized
Published June 25, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

সিলেটের বিদায়ী ডিসি সারওয়ার আলম মাজারে দান করেছেন কী কারণে

ম জ র ৫ ল খ ট – সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে জেলা প্রশাসনের তহবিল থেকে সর্বমোট ৫ লাখ টাকা দান করা হয়েছে। এ বিষয়ে স্বাধীন মানুষের মধ্যে বিশেষ আলোচনা আরম্ভ হয়েছে। কেউ বলছেন যে মাজার তহবিলের টাকার কোনো সংকট ছিল না, সারওয়ার আলম স্বয়ং বিদায় গ্রহণের আগে মাজার বিষয়ে স্ট্যান্ডবাজি করেছেন।

সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক মাজারবিরোধী কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়ে বদলি হন। যেখানে মাজারের দানের টাকা গুনে গুনে ডিসি দেখালেন প্রচুর টাকা আসে; সেখানে যাওয়ার আগে মাজার তহবিলে ৫ লাখ টাকা দিয়ে রীতিমতো পলিটিক্যাল স্ট্যান্ডবাজিই করলেন।

১২ জুন হজরত শাহজালাল ও হজরত শাহপরানের মাজার পরিদর্শনে সারওয়ার আলম যান। এ সময় তিনি মাজার আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে মাজারে নতুন চারটি দানবাক্স স্থাপন করা হয়। সাথে তিনটি ঐতিহাসিক ডেক ও একটি দানবাক্স সিলগালা করা হয়।

টাকা গণনা শেষে সন্ধ্যায় জানানো হয় যে, আটটি ডেক ও দানবাক্সে মোট ১৮ লাখ টাকার বেশি ধন জমা দেওয়া হয়েছে। এসব টাকা শাহজালালের মাজারের নামে ব্যাংক হিসাবে রাখা হয়। সারওয়ার আলম পরে জেলা প্রশাসনের তহবিল থেকে আরও ৫ লাখ টাকা মাজার তহবিলে জমা দেন। তবে এ দান মাজার তহবিলের ইতিহাসে কখনো এতো সাপেক্ষ হয়নি।

গত বছরের ১৮ আগস্ট থেকে সারওয়ার আলম সিলেটের ডিসি হিসেবে দায়িত্ব নেন। এর আগে তিনি প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সচিবের দায়িত্বে ছিলেন। তখন সিলেটে সাদাপাথর লুট ও চুরির ঘটনার মধ্যে জেলা প্রশাসক পর্যায়ে এই পরিবর্তন আনা হয়। ডিসি দায়িত্বে থাকাকালীন তিনি নগরের ফুটপাত উচ্ছেদ, ওসমানী মেডিকেলে দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধে উদ্যোগ নেন। কিছু ক্ষেত্রে তিনি সফল হন, কিছু ক্ষেত্রে ব্যর্থ হন।

তিনি সিলেট ছাড়ার আগে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস পোস্ট করেন: “ভালো থাকুন সিলেটবাসী।” ডিসির প্রত্যাহার হওয়ার প্রজ্ঞাপন জারির পরদিন সোমবার সারওয়ার আলম মাজারে যান। বেলা দুইটার দিকে তাঁর নির্দেশনায় দানবাক্স ও ডেকগুলো খোলা হয়। এ বিষয়ে কথা বলতে বুধবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে মুঠোফোনে তাঁকে যোগাযোগ করা হয়। তবে তিনি ব্যস্ততা দেখানোয় বিস্তারিত কথা বলা যায়নি।

Leave a Comment