মধ্যপ্রাচ্যের পর এবার ইউরোপের বাজারেও কমেছে শাকসবজি রপ্তানি
মধ যপ র চ য র পর – বাংলাদেশের শাকসবজি রপ্তানি এই অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে মোট ৬ কোটি ৯৫ লাখ ডলারের মূল্যে হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি। তবে বিশ্ব যুদ্ধের প্রভাবে কিছু মূল গন্তব্য স্থানে রপ্তানি কমে গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে বিমানভাড়া বেড়েছে এবং ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের পর কয়েকটি দেশে শাকসবজি পরিবহনের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিয়েছে। ইউরোপে রপ্তানি কমানোর প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে, যা বিমানভাড়া বেড়ে যাওয়ার ফলে ঘটেছে বলে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি শাকসবজি রপ্তানিতে ধস নামে। এতে কাতারে শাকসবজি রপ্তানি স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ কমে গেছে। চারটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশে বাংলাদেশের রপ্তানি কমেছে, যার মধ্যে সৌদি আরব ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, ওমান এবং ইরাক উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তন ঘটেছে। ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বিশ্ব রপ্তানি কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারে পণ্য পরিবহনের পরিমাণ কমে গেছে যদিও যুদ্ধবিরতি ঘটে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের মতে ইরানের যুদ্ধ স্থায়ী প্রভাব ফেলেছে শাকসবজি রপ্তানি। তাদের মতে সমুদ্রপৃষ্ঠে বিমান চলাচল বন্ধ হওয়ার ফলে প্রতিবেশী দেশগুলোতে রপ্তানি কমে গেছে। দেশের কৃষিপণ্য রপ্তানি কার্যত আরও বাধাগ্রস্ত হবে যদি বিমানভাড়া কমানো হয় না। এই সময়ে বাংলাদেশি সবজির রপ্তানি বাইরে থেকে টিকে থাকার জন্য বিমানভাড়া কমানো আবশ্যিক।
বাংলাদেশ ফ্রুটস, ভেজিটেবলস অ্যান্ড অ্যালাইড প্রোডাক্টস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএফভিএপিইএ) এর নেতারা ঢাকা থেকে লন্ডন, রোম ও টরন্টো এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যে শাকসবজি রপ্তানি কমানো সম্ভব হবে বিমানভাড়া সহনীয় রাখা হলে। এ বিষয়ে লেখা হয়েছে গত ১১ মে প্রকাশিত চিঠিতে। এ কারণে মৌসুমি ফলমূলের রপ্তানি কমিয়া যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ইয়ুরোপে শাকসবজি রপ্তানি কমে গেছে। বিশেষ করে ইয়ুরোপে বিমানভাড়া বেড়েছে যার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশে পরিবহন ব
