মাইশাকে ধরে কাঁদলেন সুমনা হক…
ম ইশ ক ধর ক দল ন – গত ২ মে তিনি মৃত্যুবরণ করেন বাংলা সংগীতের পরিচিত কর্ণধার ফারুক আহমেদ বাদল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বনানীর ক্লাব নটর ডেমিয়ানে আয়োজিত স্মৃতি অনুষ্ঠানে তাঁর পুত্রী মাইশা কবির উপস্থিত ছিলেন। তাঁর নানান কথা শুনে এবং স্মৃতি জাগিয়ে তাঁকে স্পর্শ করেছিল বাদলের একাধিক মানুষ।
অ্যালবাম দেখে মাইশা বাবার বিশাল পরিচিতি জানেন। যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা পেশায় নিযুক্ত তিনি কখনো বাবার গল্প শুনতেন না। এমনকি দেশে আসার স্মৃতি তাঁর ছিল না। কিন্তু এখন স্মরণসভায় প্রবেশ করে জানলেন যে অনেক গীতিকার ও সংগীতশিল্পী বাবার বিশেষ সম্পর্কে ছিলেন।
“সব শুনছি আর অবাক হচ্ছি। বাবা কখনো এসব বিষয়ে কথা বলতেন না। দেশের অনেক তারকা কনসার্টে আসতে এলে বাবাকে জিজ্ঞাসা করতাম, এই আংকেল তো আপনার পরিচিত। একটু যাবেন না?” তাঁর জবাব ছিল, “মা, ওনারা কি আমাকে এখন চিনবেন, থাক।”
মাইশা আরও জানান, বাবার গিটার বাজানোর ক্ষমতা জানতেন তিনি। কত অনুরোধ করেছিলেন, কখনো ছুঁয়ে দেখেননি। তাঁর কন্ট্রিবিউশন নিয়ে কোনো আলাপ করতেন না। কিন্তু এখন এ সমারোহে জানলেন যে বাংলা সংগীতের অনেক গীত ও কিংবদন্তি বাবার আঁকড়ে রয়েছে।
তিন বছর আগে ব্যবসা থেকে অবসর নেন বাদল। তারপর দেশে ফিরে আসেন। মাইশা বলেন, “বাবা ফিরতে চাইলেন তখন আমরা বাধা দেয়নি। আমারও পরিকল্পনা ছিল কয়েক মাস পর আসব। বাবার সঙ্গে দেশে একটু ঘুরব। কিন্তু হয়তো ভাগ্যে সেটা ছিল না।”
বক্তব্যের পর মঞ্চ থেকে নামার সময় সুমনা হক মাইশাকে ধরে কাঁদে দেন। সে সময় সুমনা হক বাদলের বিয়ের ছবিতে মাইশাকে চিনতে পেরে বলেন, “আন্টি, মা–বাবার সে ছবিতে আপনাকে আমি দেখেছি।” শুনামাত্র সম্পূর্ণ হলরুম স্তব্ধ হয়ে যায়।
