গাজায় হজ-কোরবানির সুযোগ ছাড়াই ঈদ আসছে
হজ ক রব ন র স য – হজ কোরবানির সুযোগ ছাড়াই ঈদ আসছে গাজার মানুষের জন্য। এই মুহূর্তে পবিত্র হজ ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে ধর্মীয় উৎসবের প্রত্যাশা মারাত্কারী হয়ে উঠেছে। গাজার জনপ্রিয় স্থানীয় কর্মী নাজিয়া আবু লেহিয়ারের মনে তখন একটি বিশেষ আশা ছিল যে এ সময় তিনি হয়তো হজ পালন করতে পারবেন। কিন্তু ইসরায়েলের নিরন্তর হামলা এবং সীমান্ত বন্ধ রেখে সেই সুযোগ নেই। এ সময় হজ এবং কোরবানি উপলক্ষে গাজার মানুষ ধর্মীয় উপলক্ষে কোনও অবকাঠামো ছাড়া প্রাণ সংকটে পড়েছে।
ঈদ উপলক্ষে হাজির সার্বিক বাধা
গত বছর থেকে ইসরায়েলের হামলা প্রতি বছর আসছে গাজায়। সেই হামলার কারণে অনেকের হাজির স্বপ্ন ভেসে গেছে। কোরবানির সুযোগ কাটিয়ে আসছে ঈদের মৌসুমে প্রতি দিন। বিশেষ করে ঈদুল আজহা উপলক্ষে মানুষ পশু আমদানি করতে পারছে না। এ বাধার কারণে আবার সার্বিক সংকট আবির্ভূত হয়েছে।
রাফা ক্রসিং পরিস্থিতি স্থির নয়
রাফা ক্রসিং পরিস্থিতি স্থির নয়। গত বছরে ইসরায়েল এই সীমান্ত আংশিক খুলে দিয়েছিল, কিন্তু এখনও এটি অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। নাজিয়া আবু লেহিয়ার বলেন, “এই সময় আমাদের সেখানে থাকার কথা ছিল। কিন্তু হাজির সঙ্গে এ করা হচ্ছে কেন জানি না।” পরিস্থিতি বদলে গেছে এবং তার ফলে মানুষের জন্য এ সুযোগ নেই।
হজ কোরবানির সুযোগ ছাড়াই ঈদ উপলক্ষে আবার কোরবানির কথা আসছে। এ পর্যন্ত গাজায় এ বছর কোনও পশু আমদানি করা হয়নি। স্থানীয় কৃষি মন্ত্রণালয় জানায়, ইসরায়েলি বাহিনী কোরবানি খাত ধ্বংস করেছে। এ ফলে আবার সার্বিক দুর্দশা ঘটছে। হাজির স্বপ্ন আবার অনেকের প্রাণে বাঁধা হয়েছে।
নাজিয়া আবু লেহিয়ার বলেন, “আমার ভয় হচ্ছে—হজের আকুতি বুকেই নিয়ে আমি হয়তো স্বামী নেই, কিন্তু ঈদ আসছে আমি কোনও সুযোগ পাব কিনা তা অজানা।” তিনি স্থানীয় সংকট থেকে প্রতি দিন জুড়ে নিষ্ঠার সাথে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
হজ কোরবানির সুযোগ ছাড়াই ঈদের মুহূর্তে গাজার মানুষের পক্ষে আরও বেশি কষ্টকর হয়ে উঠেছে। এই বাধাগুলো বেশি করে গাজার মানুষ ধর্মীয় উপলক্ষে অবকাঠামো হারিয়েছে। অনেক পরিবার বর্তমানে কোরবানি করার সম্ভাবনা খুব কম। ঈদের দিনগুলোতে হাজির সুযোগ ছাড়া মানুষ বেশি অপরাধ বা নৈতিক সংকটে পড়েছে।
গাজার হজ কোরবানি সুযোগের সংকট তখন চারপাশে অনেকের চিন্তা আবির্ভূত হয়েছে। আর ঈদের মুহূর্তে এ সমস্যা বেশি আকার ধারণ করেছে। হাজির সুযোগ না থাকার কারণে পশু আমদানি বন্ধ রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে মানুষের পক্ষে হজ ও ঈদ উপলক্ষে কোরবানি করা সম্ভব হচ্ছে না।
