প্রেস সচিব কাফি খানের স্মৃতিচারণ: কেমন ছিলেন রাষ্ট্রপতি জিয়া
প র স সচ ব ক ফ – ৩০ মে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী। এই দিনটি তিনি ১৯৮১ সালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্যের হাতে নিহত হন। সৈয়দ আবদাল আহমদ রচনা করেছেন কাফি খানের সাক্ষাৎকার মূলক এ লেখা, যেখানে তিনি জিয়ার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিবরণ দিয়েছেন।
কাফি খান অনুসারে, জিয়াউর রহমান ছিলেন অসাধারণ একজন মানুষ। তাঁর সততার পরিচয় ছিল নির্বিচ্ছিন্ন। তিনি মাথার চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত সৎ ছিলেন। এমন ব্যক্তিত্বের সামনে একটি মুহূর্তেও তাঁকে খাটো করে দেখা যায় না। আমার চোখে তিনি সার্থিক এক মানুষ। তাঁর সম্পর্কে আমি এমন মানুষের সাক্ষাৎ কখনো পাইনি যার সততা অপরিসীম।
তাঁর অনেক কাজই ছিল অসাধারণ। দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করা তাঁর একটি প্রকৃত কাজ। রাতে চার ঘণ্টার বেশি ঘুমোতেন না এবং বছরের সব দিন কাজে লেগে থাকতেন। মনে হয় তিনি কোন সময়ে নিজেকে খাটো করে দেখানো যেতে পারেনি। একটি মানুষ যাঁর কাছে গেলে মনে হয় তিনি সরাসরি স্পর্শ করছেন।
তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়ার প্রেস সচিব ছিলেন ১৯৭৭ সালের ডিসেম্বর থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত। এই সময়টি আমার জীবনে একটি শ্রেষ্ঠ অভিজ্ঞতা ছিল। কাফি খান বলেন, আমি সেই সময়গুলো স্মরণ করেছি এবং কাজের দিনগুলি আনন্দময় ছিল।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি জিয়ার একটি মহৎ গুণ ছিল সেনাবাহিনীর সহযোগিতা। দেশের প্রতিভূত লোকদের তাঁর সাথে জড়ো করতে পেরেছিলেন। বিচারপতি আবদুস সাত্তার, পররাষ্ট্রমন্ত্রী অধ্যাপক মুহাম্মদ শামসুল হক, ড. এম এন হুদা, সাইফুর রহমান, ড. ফসিহউদ্দীন মাহতাব এমন অনেক প্রতিভাবান ব্যক্তিত্ব তাঁর সরকারে সাথে ছিল।
২০২১ সালে কাফি খান মারা যান। তিনি পরিবার-পরিজন নিয়ে ওয়াশিংটনে থাকতেন মৃত্যুর আগপর্যন্ত। ২০১১ সালের প্রথমার্ধে বাংলাদেশে বেড়াতে এসেছিলেন এবং আমি তাঁর কাছে সাক্ষাৎ করি। তখন আমার বইটির জন্য একটি সাক্ষাৎকার চাইলে তিনি সানন্দে রাজি হন।
তিনি মন্তব্য করেন, ইরান-ইরাক যুদ্ধে তিনি মধ্যস্থতা করেছেন। তাঁর ওপর
