মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে বাংলাদেশে পোশাক উৎপাদন ও ক্রয়াদেশ কমেছে, কর্মী ছাঁটাই চলছে
মধ যপ র চ য য দ – মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ আপাতত সমাপ্ত হলেও বাংলাদেশের পোশাক শিল্প খাতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ঘাটতি চাপ ফেলছে। উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে গ্যাস ও পেট্রোকেমিক্যাল উপাদানের অভাবের কারণে। বাংলাদেশে স্পিনিং, নিটিং ও ডাইং মিলগুলো ব্যাপকভাবে গ্যাস এবং পেট্রোকেমিক্যাল উপাদানের ওপর নির্ভর করে।
আল-মুসলিম গ্রুপ একটি প্রধান পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান। গত ৬ জুন তাদের নিটওয়্যার ও ডেনিম কারখানায় প্রায় ১ হাজার ৯০০ শ্রমিক ছাঁটাই করা হয়েছে। এই খাতে চীন ছাড়াও অন্য দেশগুলো কম চাহিদা বৃদ্ধি করছে। যুদ্ধ শুরুর পর পর একটি জ্যাকেট কারখানার মালিক আবদুল্লাহ হিল নকিব বলেন, ‘যুদ্ধ শুরুর পর ক্রয়াদেশ প্রায় ২০ শতাংশ কমে গেছে।’
উৎপাদন ও ক্রয়াদেশে প্রভাব ফেলেছে যুদ্ধের বাড়তি খরচ
পোশাক তৈরির জন্য কৃত্রিম তন্তু, রং, ফিনিশিং কেমিক্যাল ও প্লাস্টিক উপাদান ব্যবহার করা হয়। এগুলোর বেশির ভাগ পেট্রোকেমিক্যাল উৎসে নির্ভর করে। যুদ্ধ শুরুর পর ন্যাফথার দাম প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বেড়েছে, যেটি উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির সাথে সাথে পরিবহন ব্যয় কমেছে ৩০ শতাংশ।
পশ্চিমা ব্র্যান্ডগুলো পোশাক রপ্তানি কমানোর কারণে উৎপাদনে বিলম্ব ও জাহাজীকরণে বিঘ্ন হয়েছে। বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের পাঁচ ভাগের চার ভাগ পোশাক খাত থেকে আসে। গত বছর মে মাসে টানা দশম মাসের মতো পোশাক রপ্তানি হ্রাস পেয়েছে প্রায় ৮ শতাংশ।
শিল্প বিশ্লেষক মেহেদী মাহবুব মন্তব্য করেন, রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পরিবর্তন হয়েছে বিদেশি ক্রেতাদের আস্থা। গত তিন বছরে পোশাক খাতে প্রায় ৪০০টি কারখানা বন্ধ হয়েছে। অত্যন্ত সংকট দেখা দিয়েছে উৎপাদন ব্যবস্থার প্রতি।
কর্মী ছাঁটাই ও স্থায়ী প্রভাব
বাংলাদেশে পোশাক শিল্পে কাজ করেন প্রায় ৪০ লাখ মানুষ, যাদের মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ হিসেবে গণ্য। বেশির ভাগ কর্মী নারী। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে বিদেশি ব্র্যান্�
