ফুটবল–উৎসবের রং চট্টগ্রামজুড়ে
গলি থেকে শহরের উৎসব
ফ টবল উৎসব র র চট টগ – শরিফ কলোনি চেরাগী পাহাড়ের পাশাপাশি স্থানীয় খেলার সংস্কৃতি সৃষ্টি করেছে। সরু গলির ভেতর সাজানো রং চট্টগ্রামের স্থানীয় সমাজের প্রতিটি কোণে উপস্থিত হয়েছে। দেয়ালে ব্রাজিলের তারকা নেইমারের অবয়ব পাশাপাশি রয়েছে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। সেখানে যেন হলুদ-সবুজ রং ভাগ করে দেয়া হয়েছে পরিস্থিতি। গতকাল শনিবার সকালে ছোট্ট শিশু হলুদ বল পায়ে নিয়ে গলির ভেতর খেলছিল। মাথার ওপর তার কাছে উড়ছে আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিলের পতাকা। দেয়ালের দুই পাশে যেন দুই জাতির তারকা তাকিয়ে আছেন। বিশ্বকাপের মাঠে তাঁরা প্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু এই গলিতে তাঁদের একই উৎসবের অংশ বলে মনে হচ্ছে।
বিশ্বকাপ শুরুর পর ছাদে ছাদে উঠেছে পতাকা। নিউমার্কেটের রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে একটি কিশোর বলে দেখছেন, দোকানিরা মেসির জার্সি বিক্রি করছেন। তার পাশে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের জার্সি খুঁজছে আরেক কিশোর। মাটির ওপর সাজানো পতাকা বাতাসে দুলে ওঠে। বিশ্বকাপ এলে বাজারের চেহারা বদলে যায়। সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জার্সি। মেসির ১০ নম্বর জার্সি সবচেয়ে চাহিদা বেশি। কিন্তু নেইমার, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, লামিনে ইয়ামাল, কিলিয়ান এমবাপ্পে কিংবা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর জার্সিও কম বিক্রি হচ্ছে না।
সামাজিক উৎসবে ভাগ্যের গুঞ্জন
চট্টগ্রাম জেলার মোড় মোড়ে একসঙ্গে জ্বলে ওঠে বড় পর্দা। সন্ধ্যার পর এসব এলাকায় জনগুম বিছিয়ে পড়েছে। কেউ প্লাস্টিকের চেয়ার নিয়ে আসেন, কেউ মাদুর পেতে বসেন। চায়ের দোকানের বিক্রি বাড়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, দোকানদার একসঙ্গে খেলা দেখছেন। নগরের দুই নম্বর গেট, প্রবর্তক মোড়, কাজীর দেউড়ি এলাকায় তৈরি হয়েছে উৎসবের আবহ।
“নারী-পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধ—সবাই এই উৎসবে শামিল হন।”
বিশ্বকাপ এলে দিন-রাতের রুটিন বদলে যায়। স্থানীয় লোকজন এই গলিকে পুরোনো নামে ডাকেন না। সবার মুখে একটাই নাম—‘ব্রাজিল গলি’। আর্জেন্টিনার একটি ম্যাচ দেখেছি নগরের দুই নম্বর গেটের বড় পর্দায়। শত শত মানুষের সঙ্গে বসে খে
