বিচার বিভাগের পর্যাপ্ত বাজেট: সুশাসনের জন্য কৌশলগত বিনিয়োগ
ব চ র ব ভ গ র – আর্থিক স্বাধীনতা প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা নিশ্চিত করে। তবে এই চিন্তায় ভ্রান্তি থাকতে পারে। সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য বিচার বিভাগের পর্যাপ্ত বাজেট বিবেচনা করা হয় কৌশলগত বিনিয়োগ হিসেবে অভ্রান্ত সত্য। বাজেটে বিচার বিভাগের জন্য যথাযথ বরাদ্দ আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে এই অবতারণা।
সুশাসন ও ন্যায়বিচারের প্রতিষ্ঠা
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বিচার বিভাগ রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। এর স্বাধীনতা ও সক্ষমতার পরিমাণ দেশের সুশাসন সূচকের ভিত্তি হিসেবে নির্ধারণ করে যেমন বিশ্বব্যাংকের ওয়ার্ল্ড ওয়াইড গভর্ন্যান্স ইন্ডিকেটর বা চ্যান্ডলার গুড গভর্ন্যান্স ইনডেক্স। সুশাসন দৃশ্যমান নয়, এটি নাগরিক অভিজ্ঞতার বিষয়। সুশাসন হলো শাসক ও শাসিতের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক তৈরি করে।
রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে বাজেট প্রস্তাব সংসদে উপস্থাপিত হয়। প্রস্তাবিত বাজেটে আইন ও বিচার বিভাগের জন্য সর্বোপরি প্রয়োজনীয় বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত হওয়া যেন আমাদের নিয়তি। এর আগে আইনমন্ত্রীসহ সব মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর মুখের দিকে চেয়ে থাকতেন যা পাওয়া যেত, তা–ই সই।
এবারের আইনমন্ত্রী আগের চেয়ে ভিন্ন, বিচার বিভাগের বাজেট ইস্যুতে। আগে বিচার বিভাগের জন্য সেই অর্থে বাজেট-পূর্ব অর্থ বরাদ্দ নিয়ে খুব একটা আলোচনা দেখা যায়নি। এখন আইন ও বিচার বিভাগের জন্য প্রস্তাবিত বরাদ্দ হলো ২ হাজার ১৮৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। প্রশাসনিক ও কাঠামোগত সংকটের উদাহরণ দিতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, একজন বিচারক সাক্ষীর জবানবন্দি লেখার সময় কাগজ শেষ হয়ে গেলে তা কেনার ক্ষমতাও রাখেন না।
নতুন কাগজের জন্য দীর্ঘ প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার কারণে অনেক সময় মামলার নতুন তারিখ দিতে হয়। এ ধরনের জটিলতা বিচারপ্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে বলে তিনি মনে করেন।
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় বাজেট কেবল আয়-ব্যয়ে
