মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত: ইরান ছাড়াও ইরাকে বোমা হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব
মধ যপ র চ য স ঘ – সৌদি আরবের যুদ্ধবিমান ইরানের সমর্থিত শিয়া মিলিশিয়াদের বিভিন্ন লক্ষ্যে বোমা হামলা চালিয়েছে ইরান যুদ্ধের সময়। কুয়েত থেকেও ইরাকের ভেতরে পাল্টা বিমান হামলা চালানো হয়েছিল। এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র তথ্যটি নিশ্চিত করেছে। এগুলো হল উপসাগরীয় অঞ্চলে পর্দার আড়ালে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন সামরিক পদক্ষেপের অংশ।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে ইরান যুদ্ধ শুরু করেছিল। পরে এ সংঘাট মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তার পেয়েছিল। তবে যুদ্ধের সময় বিমান হামলার তথ্যগুলো অনেকাংশে গোপন রাখা হয়েছিল। এ প্রতিবেদনের জন্য রয়টার্স ইরাকে তিনজন নিরাপত্তা ও সামরিক কর্মকর্তার সাথে কথা বলেছে। এমন একজন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
উপসাগরীয় অঞ্চলে বিভিন্ন সামরিক পদক্ষেপের কারণে ইরাকে সামরিক হামলা চালানো হয়েছিল। কুয়েতি সশস্ত্র বাহিনী নাকি সেখানে মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী রকেট ছুড়েছে, এ বিষয়ে রয়টার্স নিশ্চিত হতে পারেনি। মার্কিন সামরিক বাহিনী কোনো মন্তব্য করেনি। ইরাক সরকারও এ বিষয়ে মন্তব্য দেয়নি।
সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, রিয়াদ উপসাগরীয় দেশগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করেছিল।
গত এপ্রিল মাসে দক্ষিণ ইরাকে মিলিশিয়াদের অবস্থানে হামলার ফলে বেশ কয়েকজন যোদ্ধা নিহত হয়েছিলেন। ইরান সমর্থিত কাতায়েব হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর একটি স্থাপনা ধ্বংস হয়েছিল। স্থাপনাটি যোগাযোগ ও ড্রোন কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত হত।
বিমান হামলার মূল কারণ
সৌদি আরব ও কুয়েত ইরাকের মিলিশিয়াদের বিপক্ষে সামরিক ক্রিয়া চালিয়েছিল। এ হামলার পরিণতি ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের ব্যাপারে ধৈর্য হারায়। মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলোতে হাজার হাজার যোদ্ধা রয়েছে। তাদের অস্ত্রাগারে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বড় মজুত।
যুদ্ধের সময় সৌদি আরব তাদের সীমান্তে হামলার প্রতিবাদ জানাতে কুয়েত তিনবার ইরাকের প্রতিনিধিকে তলব করেছিল। কনস্যুলেটে জোরপূর্বক প্রবেশের ঘটনার প্রতিবাদ করে
