ঢাকায় গুলি ছুড়ে ১৯ লাখ টাকা লুটের অভিযোগে একজন কারাগারে
ঢাকা থানার অভিযোগে কারাগারে পাঠানো হয় একজন আসামি
ঢ ক য় গ ল ছ ড় – রাজধানীর কদমতলী থানা এলাকায় ফাঁকা গুলি ছুড়ে টাকা লুট এবং কয়েকজনকে আহত করার অভিযোগে আদালত এক আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদন বিবেচনায় বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন আসাদুজ্জামান নামের ওই ব্যক্তির জামিন আবেদন নাকচ করেন।
আসাদুজ্জামান প্রকৌশলী পেশায় কাজ করেন এবং ঢাকা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীনের ভাগনে। তিনি মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে নতুন জুরাইনের আলমবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন র্যাব-১০ এর হাতে। তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার এসআই জহিরুল ইসলাম আদালতে তাঁকে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
তবে এই মামলার আরেক আসামি রবু মিয়া নামের ব্যক্তি আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন। তাঁর পক্ষে খান মো. ইব্রাহিম শুনানি করেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ৬ মে বিকেলে মো. হাসান সহ কয়েকজন ব্যবসায়ী প্রাইভেট কারে যাচ্ছিলেন। অভিযুক্তরা তাঁদের পথে আটকে নেন এবং ছুরি ও অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালান।
“সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আমার ভাগনে। তবে এ ঘটনার সঙ্গে তাঁর দূরতম কোনো সম্পর্ক নেই। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ভোটের কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হতে সে এখানে আসে। তখনই সে একটি পক্ষের টার্গেটে পরিণত হয়। যে ঘটনার কথা বলা হচ্ছে, সেই ঘটনায় ঘটনাস্থলেও সে উপস্থিত ছিল না।”
আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে আসামি পক্ষে আইনজীবী আবদুর রাজ্জাক জামিন চেয়ে শুনানি করেন। তিনি বলেন, “এ আসামি নির্দোষ, নিরপরাধ। হয়রানি করার জন্য তাঁকে মামলায় জড়ানো হয়েছে। তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে হেয় করতেই ফাঁসানো হয়েছে।”
মামলায় আরও বলা হয়, হামলাকারীরা গাড়িতে থাকা ব্যবসায়ী হাসানের ১৯ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেন। ঘটনাস্থলে কয়েকজন আহত হন। মো. হাসান, রনি, মোতালেব ও নয়ন সহ পাঁচ থেকে সাতজনকে আঘাতপ্রাপ্ত করে তারা। তিনি মামলা করেন কদমতলী থানায় ৭ মে। মামলায় ১৯ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ২০-২৫ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়।
