মধ্যপ্রাচ্যে দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি তিনজন নিহত, পরিবারে দুশ্চিন্তা
মধ যপ র চ য প থক – ইরাক ও সৌদি আরবে দুটি আলাদা সড়ক দুর্ঘটনায় জামালপুর ও নেত্রকোনার প্রবাসী তিন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। তাঁদের মৃত্যু খবর পরিবারে দুশ্চিন্তার সৃষ্টি করেছে। মৃতদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
জামালপুরের মনোহার আলী ও মোহাম্মদ বজলু ইরাকে মৃত্যু পান
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার ঘুঘুমারী এলাকায় বসবাস করতেন মনোহার আলী (৩৫) ও কোয়ালিকান্দি এলাকায় বাস করতেন মোহাম্মদ বজলু (৪০)। তাঁরা ইরাকের কুর্দিস্তানে কনফেকশনারি চাকরি করেছিলেন। গত রোববার কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় তাঁদের মৃত্যু হয়।
“রোববার বিকেলেও স্বামীর সঙ্গে আমি কথা হয়েছিলাম। গতকাল সোমবার ভোরে ইরাক থেকে ফোনে দুর্ঘটনার খবর পেয়েছিলাম।”
মনোহার আলী প্রায় চার বছর আগে জীবিকার তাগিদে ইরাকে যান। বৈধ আবাসন না থাকার কারণে তিনি সাপ্লাইয়ের কাজ করে বেঁচে থাকেন। ঋণ মাথায় নিয়ে সন্তানদের ভবিষ্যত নিয়ে তিনি দিশাহারা। গতকাল ঝড়ে তাঁদের ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মোহাম্মদ বজলু প্রায় দেড় বছর আগে ভাগ্যবদলের আশায় ইরাকে প্রবাসী হন। তিনি সৌদি আরবে ঋণ করে কাজ করেন। কয়েক দিন কাজ কম হওয়ায় তিনি পরিচিতজনের কাছে যাওয়ার জন্য ট্যাক্সিক্যাবে রওনা দেন। মাগরিবের নামাজ শেষে তাঁর বাবা-মাকে ভিডিও কলে কথা বলেন। পরে ঘটনাস্থলে লরির ধাক্কায় তাঁর মৃত্যু হয়।
“দুর্ঘটনায় ট্যাক্সিক্যাবটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে রিপন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। চালক গুরুতর আহত হন।”
সৌদি আরবে মৃত্যুর পর মরদেহ নিয়ে দাবি উঠেছে
নেত্রকোনার মদন উপজেলার গোবিন্দশ্রী বড্ডা গ্রামে বসবাস করতেন রিপন মিয়া (৩৭)। তিনি সৌদি আরবে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে মদিনার কাছে মালবাহী লরির ধাক্কায় নিহত হন। গত বুধবার রাতে তাঁর মৃত্যু ঘটে।
রিপন মিয়া গত বছরের অক্টোবরে সৌদি আরবে যান সংসারে সচ্ছলতা ফেরাতে। তিনি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারটি ভেঙে পড়েছে।
রিপনের ছোট ভাই সৌদিপ্রবাসী শামীম আহমেদ বলেন, “মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেওয়া হয়েছে। প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা চলছে।”
মাদারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্নেহাশীষ রায় জানান, দুই প্রবাসীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ
