‘হাজার কষ্ট হইলেও বাড়িতে যাওয়ার আনন্দই আলাদা’
হ জ র কষ ট হইল ও – ঈদের উদ্যাপনের জন্য আপনার বাড়িতে যাওয়ার আনন্দ প্রাণে লাগে সত্ত্বেও যাত্রা করতে বেশি কষ্ট হয়। পোশাক কারখানার শ্রমিক মো. শহিদুল ইসলাম আশুলিয়ায় বাইপাইলে টিকিট কাউন্টারে কথা বলেন। তিনি নিশ্চিন্তপুরে বাস করেন এবং সিরাজগঞ্জে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্যাপনের জন্য গমন করছেন।
‘আজ কারখানা ছুটি দেওয়ার পর খুব খুশি হয়েছিলাম বাড়ি যেতে। রোডে জ্যাম, কাদা। অটোতে কইরা মহল্লার ভেতর দিয়া ঘুইরা ঘুইরা অনেক কষ্ট কইরা আসছি। টিকিটও কাটতে পারি নাই। বাসস্ট্যান্ডে আসছি ভিজা গেছি। জ্বর জ্বর ভাব লাগতেছে। হাজার কষ্ট হইলেও বাড়িতে যাওয়ার আনন্দই আলাদা।’
গতকাল থেকে ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন কারখানায় ছুটি শুরু হয়েছে। প্রতিটি কারখানার শ্রমিক নিজ নিজ বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে জয়েন্ট করতে চলছে। সাভার উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ বাসস্ট্যান্ডগুলোতে ঘরমুখী মানুষের ভিড় লক্ষ করা গেছে।
তবে আজ সকালে ঝোড়ো বৃষ্টি ও পরে থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি হয়েছে। নবীনগর থেকে বাইপাইল পর্যন্ত পরিবহনগুলো ধীরগতিতে চলছে। আগে থেকে শ্রমিকদের ভাড়া করা বাস মহাসড়কের ওপরে এলোমেলোভাবে দাঁড় করিয়ে রাখায় সড়ক বন্ধ হয়ে আছে।
‘কুড়িগ্রাম যাব। বৃষ্টির কারণে রাস্তাঘাট খুবই খারাপ, বেহাল অবস্থা। পাশাপাশি যানজট। অনেক বাস রাস্তায়, কিন্তু যাত্রীরা বৃষ্টির কারণে বাস খুঁজতে পারতেছে না।’
আশুলিয়ার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন মেহনাজ। তিনি সিরাজগঞ্জে যাচ্ছেন। তাঁর বলা, ‘বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে বৃষ্টির মধ্যে খুব কষ্ট করে বাড়িতে যাচ্ছি। বাসভাড়াও দ্বিগুণ। খুব ভোগান্তি।’
সাভার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজাহান মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, নবীনগর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গাড়িগুলো কিছুটা ধীরগতিতে চলতে হচ্ছে। বাইপাইল এলাকাতেও গাড়ির গতি কিছুটা কম। তবে কোথাও কোনো যানজট সৃষ্টি হয়নি। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মহাসড়কে তৎপর আছে।
