Uncategorized

বিপৎসীমা ছাড়িয়েছে সাঙ্গু নদ, চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ির পাঁচ উপজেলায় বেড়েছে পানি

সাঙ্গু নদ পানি বিপৎসীমা ছাড়িয়েছে, চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ির পাঁচ উপজেলায় আবারও বিপর্যস্ত হয়েছে মানুষ ব পৎস ম ছ ড় য় ছ - পঞ্চম দিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় সাঙ্গু

Desk Uncategorized
Published July 9, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

সাঙ্গু নদ পানি বিপৎসীমা ছাড়িয়েছে, চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ির পাঁচ উপজেলায় আবারও বিপর্যস্ত হয়েছে মানুষ

ব পৎস ম ছ ড় য় ছ – পঞ্চম দিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার চার ইঞ্চি বেশি হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রাকৃতিক পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত ডলু, টঙ্কাবতী, মাইনী ও চেঙ্গী নদী সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের নদীতীরে অবস্থান করে কয়েক লাখ মানুষ পানি বন্দী হয়েছেন।

সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া উপজেলার সব ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে বলে জানা গেছে। এখানে হাঁটুসমান কোথাও কোমরসমান পানি জমে গেছে। সড়কগুলো ডুবে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে। প্রতিরক্ষা বাঁধের অভাবে বিপর্যস্ত এলাকাগুলো আবারও জল দিয়ে আচ্ছন্ন হয়েছে।

গতরাতেই উপজেলার সব কটি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করছি। জনপ্রতিনিধিদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে মাইকিং করা হচ্ছে। স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে উদ্ধার টিম গঠন করা হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, আজ সকাল ৯টার দিকে সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমা পার করেছে। ডলু ও টঙ্কাবতী নদী সাঙ্গু নদীর সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় তাদের পানি বেড়েছে। এ নিয়ে গত তিন দিনে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও রাঙামাটি জেলায় পাহাড় ও দেয়ালধসে মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ জন হয়েছে।

বৃষ্টি বন্ধ না হওয়ায় বাঁশখালী উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা এখনো ডুবে আছে। পানি কমার কোনো লক্ষণ নেই। উপজেলার অধিকাংশ ঘরবাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে। কিছু কিছু জায়গায় তিন থেকে চার ফুট পানি জমে গেছে। এতে করে কোনো কোনো জায়গায় এক থেকে তিন ফুট পানি জমে যায়।

বৃষ্টি বন্ধ না হওয়ায় বন্যার পানিতে দীঘিনালা উপজেলার ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে (সাবস্টেশন) পানি ওঠায় নিরাপত্তার স্বার্থে বুধবার বিকেল থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে দীঘিনালা উপজেলা ও সাজেক এলাকায় আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।

সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যা মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কয়েক দিনের প্রবল বৃষ্টির পর পাহাড়ি ঢল নেমে বাঁশখালী উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। ফলে পুকুর, জলাশয় ও জমির ফসল ভেসে যাচ্ছে পানির নিচে।

Leave a Comment