বিপদে মুমিনের প্রথম করণীয় কী
ব পদ ম ম ন র প – মানুষের জীবন সুখ ও দুঃখ, আশা ও নিরাশার অনুভূতির অতিক্রম। এ পথে আসে অনেক সময়, যখন মানুষের হৃদয় দুঃখ দ্বারা ভারাক্রান্ত হয়। কিছু দুঃখ ব্যক্তিগত হয় এবং অনেক ব্যথা ভাষার বাইরে থাকে। এমন মুহূর্তে মানুষ প্রতিপালকের কাছে অনুরোধ করে যেতে বাধ্য হয়।
প্রথম আশ্রয়: আল্লাহর কাছে তুলে ধরা
ইসলামের শিক্ষা অভিযোগ বরণ করে না; বরং আল্লাহর দিকে মন ফিরিয়ে আনে। এ বিষয়ে সুরা ইয়াকুব থেকে এক উপলব্ধি পাওয়া যায়। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আমার দুঃখ ও বেদনা কেবল আল্লাহর কাছেই জানান’ (সুরা ইয়াকুব, আয়াত: ৮৬)। এটি আমাদের অনুপ্রাণিত করে যে, কষ্টের সময় মুমিন আল্লাহর দিকে তাকে দেখার জন্য প্রথম পদক্ষেপ নিতে হবে।
‘আমি আমার দুঃখ ও বেদনার কথা শুধু আল্লাহর কাছেই পেশ করছি।’ (সুরা ইয়াকুব, আয়াত: ৮৬)
অভিযোগ হৃদয়ের ভার কমায় না; বরং হতাশার মুখে উঠে আসে। আল্লাহর দিকে প্রার্থনা করা সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণের প্রতিফল। হজরত আইয়ুব (আ.) বিনয়ের সাথে আল্লাহর কাছে কামনা করেছিলেন, ‘হে আমার প্রতিপালক, আমাকে দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করেছে, আর আপনি সর্বাধিক দয়ালু’ (সুরা আম্বিয়া, আয়াত: ৮৩)। এতে ছিল সম্পূর্ণ আত্ম প্রকাশ এবং বিশ্বাসের জন্য অপরিসীম আশা।
সিজদার মুহূর্ত: আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পণের সুযোগ
প্রতিটি মুমিনের জীবনে সময় আসে, যখন তার সমস্যাগুলো নিজে ছাড়া আর কেউ বুঝতে পারে না। তবে মানুষের মন যখন ভারী হয়ে ওঠে, তখন আল্লাহর দরজায় কড়া নাড়া উচিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘বান্দা তার রবের সবচেয়ে নিকটবর্তী হয় সিজদা অবস্থায়’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৪৮২)। সিজদা হলো মানুষের ভারাক্রান্ত হৃদয় আল্লাহর কাছে তুলে ধরার মাধ্যম।
আশার জন্য মুমিনের বিশ্বাস এবং সাহস
কোরআন মানুষকে দুঃখের মুহূর্তে আত্ম প্রকাশ করে যে তার হৃদয়ের গোপন কথা আল্লাহ জানেন (সুরা মুলক, আয়াত: ১৩)। এ শিক্ষা মুমিন
