বিদেশি বিনিয়োগ বাড়লেও ঘানা-উগান্ডার পেছনে দেশ
ব দ শ ব ন য় গ – ২০২৫ সালে বাংলাদেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) প্রাপ্তি গৃহীত হিসাবে ১.৭৮ বিলিয়ন ডলার হিসাবে প্রকাশিত হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৪৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার তুলনামূলক সংখ্যাগুলো অবলোকন করলে দেখা যায় যে বাংলাদেশের বিদেশি বিনিয়োগ বেশি সময় বিভিন্ন কারণে কম পায়। যেমন দেশটি আফ্রিকার কিছু ছোট অর্থনীতির দেশের মতো ঘানা ও উগান্ডার চেয়ে বিনিয়োগ প্রবাহে পিছনে পড়েছে।
আফ্রিকার দেশগুলোর সাফল্যের কারণ
জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা (আঙ্কটাড) প্রকাশিত বৈশ্বিক বিনিয়োগ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে এই ছোট তিন দেশের বিদেশি বিনিয়োগ অর্থনীতির মাপানো ক্ষমতার তুলনায় বেশি। যেমন উগান্ডার অর্থনীতি বাংলাদেশের তুলনায় সাত ভাগের এক ভাগ আকারে থাকলেও তার গত বছর এফডিআই প্রবাহ ছিল ৩.৩৬ বিলিয়ন ডলার। সেই কারণে বাংলাদেশ নতুন বিনিয়োগ টানতে কিছুটা হিমশিম খাচ্ছে।
“নতুন বিনিয়োগ বাড়ানো যায়, সেটিই আমাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। এজন্য বিনিয়োগ পরিবেশ ঠিক করা, অনুকূল নীতিমালা করা, বিদ্যুৎ-জ্বালানি সমস্যা কমিয়ে আনা এবং করকাঠামো সমস্যা সমাধান করা জরুরি,” বলেন বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ।
২০২৪ সালে বাংলাদেশে নতুন প্রকল্পের বিনিয়োগ ছিল ১৭৩ কোটি ডলার, যা গত বছরে প্রায় ২৩ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ১৩৩ কোটি ডলারে। সাথে সাথে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিদেশে বিনিয়োগ বাড়ছে। যদিও সে পরিমাণ বেশি কম। গত বছর বাংলাদেশ থেকে আড়াই কোটি ডলার বিদেশে গেছে।
আঙ্কটাডের প্রতিবেদনে এফডিআই পাওয়ার শীর্ষ পাঁচ দেশ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর, হংকং, চীন ও ব্রাজিল। গত বছর তাদের প্রবাহ ছিল যুক্তরাষ্ট্র ২৭৭ বিলিয়ন, সিঙ্গাপুর ১৫১ বিলিয়ন, হংকং ১১৬ বিলিয়ন, চীন ১০৫ বিলিয়ন এবং ব্রাজিল ৭৭ বিলিয়ন ডলার।
বিনিয়োগ প্রবাহে বৃদ্ধির পেছনে কারণ
২০১৫ সালে বাংলাদেশে ইতিহাসের সর্বোচ্চ ২.৮৩ বিলিয়ন ডলারের এফডিআই আসে। কিন্তু পরবর্তী বছরগুলোতে প্রবাহ কমে যায়। করোনা মহামারির পর থেকে সে পরিমাণ আরও কম হয়েছে। এ সময় কোনো বছরেই এফডিআই প্রাপ্তি ২ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছে
