হাইকোর্ট বাউল, ফকির, সন্ন্যাসী ও মাজার হামলার অভিযোগ তদন্তের আদেশ জারি করেছেন
ব উল ফক রদ র ওপর হ – ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার এবং সিআইডি এর অতিরিক্ত মহাপরিদর্শককে বাউল, ফকির, সন্ন্যাসী, মাজার ও খানকায় হামলার অভিযোগ তদন্ত করতে আদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। দেশের বিভিন্ন স্থানে সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার ও ধর্মীয় সংশোধনের নামে নিষ্ঠুর আচরণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আদেশে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে ও প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি ও আইনজীবী দাবি
এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি রাজিক–আল–জলিল ও দেবাশীষ রায় চৌধুরী সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ গত ২১ জুন রুল দিয়েছে। আদেশের অনুলিপি গ্রহণের ৬০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, বাউল, ফকির ও সন্ন্যাসীদের নিয়মিত হামলা ও নির্যাতন চলছে। তাই রিটটি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
নারীপক্ষের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের মধ্যে রিট আবেদনকারীরা
নারীপক্ষের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শিরীন পারভীন হক, অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ ও বাউল ও মাজার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে ২৯ জন রিটটি করেন। আদালতে পক্ষে শুনানি করেন জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জামিলা মমতাজ ও জসিদুল ইসলাম জনি।
“বাউল, ফকির ও সন্ন্যাসীদের সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ও ভবিষ্যতে হামলা রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কেন আদেশ দেওয়া হয়নি তা জানতে চাওয়া হয়েছে বলে আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন। তিনি জানান, অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার পাশাপাশি ভবিষ্যে অপমানজনক প্রচেষ্টা রোধে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
হাইকোর্টের আদেশের অনুলিপি আজ শনিবার আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া প্রথম আলোকে জানান যে, স্বরাষ্ট্রসচিব, ধর্মসচিব, সংস্কৃতিসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক ও ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারদের মধ্যে রুলের জবাব দিতে ৪ সপ্তাহের মধ্যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
