বাঁ পায়ের ফুটবল জাদুকর মারীই কী ছিলেন ‘অলটাইম গ্রেট’, কী ঘটেছিল তাঁর ভাগ্যে
ব প য় র ফ টবল জ – বাঁ পায়ের ফুটবল জাদুকর মারী চৌধুরী বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুগের সেরা খেলোয়াড়দের মধ্যে একজন ছিলেন। তাঁর পায়ে ফুটবল খেলার জাদু দেখা হয়েছিল ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন ক্লাবে যেখানে তিনি বিশেষ করে ক্রিস্টাল ক্লাবের সাথে কাজ করেছিলেন। তাঁর রাষ্ট্রীয় দলের মাঠে তাঁকে দর্শকদের মনে আকর্ষণ করেছিল সাধারণ ভাবে নয়, বরং বাঁ পায়ের ক্রিয়াকলাপ দিয়ে একটি জাদু ছড়িয়ে দিয়েছিলেন খেলোয়াড়দের মাঝে। সামনে বাঁ পায়ের ফুটবল খেলার সম্পূর্ণ ইতিহাস নিয়ে একটি আলোচনা করছি যাতে তাঁর অসাধারণ দক্ষতা কীভাবে তাঁকে একটি অলটাইম গ্রেট খেলোয়াড় হিসেবে চিহ্নিত করেছিল এবং তাঁর ভাগ্য কীভাবে একটি বিপর্যয় ঘটিয়েছিল।
মারী চৌধুরী কার সন্তান ছিলেন?
মারী চৌধুরীর জন্ম সম্পর্কে পরিচিতি রয়েছে। পাকিস্তান শাসনের যুগের প্রধান ফুটবলার হিসেবে তাঁকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ফুটবল লেখক দুলাল মাহমুদের বইয়ে তাঁর জন্ম ছিল ১৯৩৫ সালে। কিন্তু অন্য তথ্যসূত্রে তাঁর জন্ম তারিখ পার্থক্য রয়েছে—একটি দৈনিকে বলেছে তিনি ১৯৩৯ সালের ২৩ মার্চে জন্মগ্রহণ করেন। এছাড়াও বরিশালের ব্যাপটিস্ট মিশন বয়েজ স্কুলে তাঁর শিক্ষার অনুষ্ঠান শুরু হয়। সেখানে ১৯৫৩ সালে তিনি এসএসসি পাস করেন। ঢাকার জগন্নাথ কলেজ (বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে তিনি ১৯৫৬ সালে এইচএসসি পেয়েছিলেন এবং ১৯৫৯ সালে বিএ পেয়েছিলেন।
বাঁ পায়ের ফুটবল খেলার জন্য তাঁর মূল স্থান ছিল রাঙামাটি জেলার চন্দ্রঘোনা শহর। তাঁর শৈশব থেকে ক্রিস্টাল ক্লাবে সাথে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। দশম শ্রেণির ছাত্র হিসেবে ১৯৫১ সালে তিনি চট্টগ্রাম প্রথম বিভাগ ফুটবল লিগে ফিরিঙ্গিবাজারের হয়ে খেলেছিলেন। পরবর্তী বছর তাঁর সঙ্গে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল স্কুলের হয়ে খেলা হয়। পূর্ব পাকিস্তান রেলওয়ে দলের হয়ে তিনি ঢাকায় রোনাল্ডস শিলড খেলেছিলেন। এগুলো ক্রিস্টাল ক্লাবে তাঁর আগের অভিজ্ঞতার প্রমাণ হতে পারে।
