বরগুনার ডাকবাংলোতে মামলা হয়নি, পরিবার অভিযোগ করছেন
বরগ ন র ড কব ল য় – বরগুনার ডাকবাংলোতে ইতি রানী ও তাঁর দুই মেয়ের মরদেহ উদ্ধারের পাঁচ দিন পরও পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মামলা করা হয়নি। পুলিশ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি পরিষ্কার করতে গিয়ে নানা বিড়ম্বনার মুখে পড়ছেন নিহতদের স্বজনরা। অবিলম্বে সাক্ষ্য গ্রহণের দাবি তুলেছে বিশ্বাস পরিবার। বরগুনার ডাকবাংলোতে ঘটনার বিষয়ে জানা নেই কোনো সংকট সৃষ্ট হয়েছে কিনা।
মামলার বাদী নাম পরিবর্তনের অভিযোগ
বরগুনা সদর থানার ওসি আবদুল আলীম জানান, ইতি রানীর স্বামী দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস মামলা করতে এসেছিলেন। কিন্তু তাঁকে বাদী হিসেবে নিয়ে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। ওসি বলেন, ‘স্বামীর সঙ্গে ঘটনার সম্পর্কে সন্দেহ থাকতে পারে বলে মাতাকে বাদী করা সহজ। আমাদের দিন কাটছে। সাথে সাথে কোনো প্রতিক্রিয়া আসছে না।’
মামলার প্রক্রিয়া ছুঁড়ে ফেলা হয়েছে বলে পরিবার আপত্তি জানাচ্ছে।
নিহত ইতি রানীর ভাসুর মিলন চন্দ্র বিশ্বাস অভিযোগ করেন, মামলা করতে গেলে ওসি সাহেব আমাদের জানতে দেননি কারণ। তিনি বলেন, ‘আমরা কে আগে থেকে পরিচিত ছিলাম কিন্তু বরগুনার ডাকবাংলোতে পুলিশ আমাদের বিভ্রান্ত করছেন।’
সুপার মন্তব্য ও পরিবারের সংশয়
গত বুধবার থানাপাড়া এলাকার জেলা পরিষদের ডাকবাংলোতে তৃতীয় তলার দুটি কক্ষ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ইতি রানী ছিলেন স্থায়ী পরিচ্ছন্নতাকর্মী। তিনি পৌরসভার কালীবাড়ি সড়কের বাসিন্দা দুলাল চন্দ্র বিশ্বাসের স্ত্রী। পুলিশ সুপার কুদরত-ই-খুদা বলেছিলেন, মৃতদেহের পাশ থেকে ঘুমের ওষুধ ও একটি পানির বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। এটি আত্মহত্যার সম্ভাবনা বলে মনে হয়।
বরগুনার ডাকবাংলোতে ঘটনার পরিচয় দেওয়া হয়নি। এখনও সত্য আবিষ্কারের জন্য অপেক্ষা করছেন পরিবারের সদস্যরা।
তবে সুপারের এ মন্তব্য নিয়ে বরগুনার ডাকবাংলোতে ঘটনার পরিচয় দেওয়া হয়নি। পরিবারের দাবি, ময়নাতদন্ত ও সুরতহাল প্রতিবেদনের আগে পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে। এ ক্ষেত্রে প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন করতে হবে।
বরগুনার ডাকবাংলোতে ঘটনার প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে কিন্তু স্বজনের আবেদন পূর্ণ হয়নি। পুলিশ কর্মকর্তারা নিহতদের স্বজনের মুখে আসেননি। বরগুনার ডাকবাংলোতে নিহতদের সম্পর্কে কোনো সংকট সৃষ্ট হয়েছে কিনা তা জানতে হয় আরও সময়।
বরগুনার ডাকবাংলোতে ঘটনার সত্য সম্পর্কে পরিবার সতর্ক করছেন। তাঁদের মতে ময়নাতদন্ত এবং প্রতিবেদন ছাড়া পূর্বপরিকল্পিত হত্যার প্রমাণ পাওয়া যাবে কিনা তা সন্দেহ করছেন।
