Uncategorized

ফেসবুকে ‘হা হা’ রিঅ্যাক্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি কর্মীদের হামলা, নারীর মৃত্যু

ফেসবুকে ‘হা হা’ রিঅ্যাক্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি কর্মীদের হামলা নারীর মৃত্যু ঘটায় সংঘটনের স্থানীয় চাঞ্চল্য ফ সব ক হ হ র অ - ফেসবুকে ‘হা হা’ রিঅ্যাক্ট

Desk Uncategorized
Published May 17, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ফেসবুকে ‘হা হা’ রিঅ্যাক্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি কর্মীদের হামলা

নারীর মৃত্যু ঘটায় সংঘটনের স্থানীয় চাঞ্চল্য

ফ সব ক হ হ র অ – ফেসবুকে ‘হা হা’ রিঅ্যাক্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে গতকাল শনিবার রাতে উখিয়ায় একটি ঘুর্নিক ঘটনা ঘটে। উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের টাইপালং গ্রামে বিএনপি কর্মীদের হামলার ফলে ছৈয়দা বেগম নামে পরিচিত এক মহিলা নিহত হন। তিনি ছৈয়দা বেগম নামে স্বামী সাব্বির আহমদের স্ত্রী। ঘটনার আগে টাইপালং মাদ্রাসার দেয়ালে জয় বাংলা ও জয়তু শেখ হাসিনার লেখা থাকার কারণে ফেসবুকে হা হা রিঅ্যাক্ট দেওয়া সংঘটনের সংকেত ছিল। বিএনপি নেতারা আওয়ামী লীগের কর্মীদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেন এবং হামলার ঘটনা প্রতিবেদন করেন।

হামলার প্রাথমিক বিবরণ

গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় ছাত্রদল কর্মী মো. জিসান দেয়ালে একটি পোস্ট প্রকাশ করেন। পোস্টটি হাসিনা সংক্রান্ত কিছু মন্তব্য নিয়ে ছিল। সেখানে মো. ইউনুস দেয়াল ফেসবুকে হা হা রিঅ্যাক্ট দেন যা স্থানীয় কর্মীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলে রাতে ছাত্রদল ও বিএনপির কয়েকজন নেতা-কর্মী ইউনুসকে আটক করে মারধর শুরু করে। তাঁর বন্ধু ও স্থানীয় এনজিও কর্মী এস এম ইমরান ছেলেটিকে রক্ষা করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তিনিও হামলার শিকার হন।

অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ছৈয়দা বেগম তাঁর বাড়িতে আহত হন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এস এম ইমরান অভিযোগ করেন যে, হামলার পরিস্থিতি ফেসবুকে হা হা রিঅ্যাক্ট দেওয়ার পর ঘটেছে। তিনি দাবি করেন যে মিজান সিকদার ও আবদুল করিম ছৈয়দা বেগমকে মারধর করেছেন। ঘটনায় এস এম ইমরানের ছেলে ও স্ত্রী সহ পরিবারের আরও কয়েকজন আহত হন। স্থানীয় মানুষের মতে, ফেসবুকে হা হা রিঅ্যাক্ট দেওয়া একটি সামাজিক আবেগ তুলে ধরেছিল যা পরে বিএনপি কর্মীদের হামলার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

পুলিশের তদন্ত ও বিএনপির উত্তর

পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করে যেহেতু ফেসবুকে হা হা রিঅ্যাক্ট দেওয়া সংঘটনের মূল কারণ হিসেবে গণ্য হয়। তদন্তে মিজান সিকদার ও আবদুল করিম নারীটিকে মারধর করার প্রমাণ পাওয়া হয়। কর্মীদের হামলার পর উপজেলা পুলিশ ফেসবুকে হা হা রিঅ্যাক্ট দেওয়া ঘটনার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেন। বিএনপির কর্মীরা এ ঘটনার প্রতি স্পষ্ট ঘোষণা করেন যে এটি কেবলমাত্র ফেসবুকে হা হা রিঅ্যাক্ট দেওয়া কারণে ঘটেছে।

এস এম ইমরানের বাপ সাব্বির আহমদ তাঁর স্ত্রীর মৃত্যু ঘটার পর গুরুতর অস্বাভাবিকতা বলে মনে করে

Leave a Comment