Uncategorized

ফেলন ছেড়ে তরমুজ চাষে কেন ঝুঁকছেন চট্টগ্রামের কৃষকেরা

চট্টগ্রামে কৃষকেরা ফেলন ছেড়ে তরমুজ চাষে ঝুঁকছেন ফ লন ছ ড় তরম জ চ - চট্টগ্রাম জেলার চন্দনাইশ উপজেলার কৃষক মো.

Desk Uncategorized
Published May 16, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

চট্টগ্রামে কৃষকেরা ফেলন ছেড়ে তরমুজ চাষে ঝুঁকছেন

ফ লন ছ ড় তরম জ চ – চট্টগ্রাম জেলার চন্দনাইশ উপজেলার কৃষক মো. হান্নান এখন শীত এলে ফেলন ডালের বীজ হাতে নিতে পারেন না। ধান কাটার পর জমিতে হালকা চাষ করে দ্রুত বীজ বপন করা হতো আগে। কিন্তু চার বছর ধরে তিনি আর ফেলন চাষ করছেন না। যে ফলন পেয়েছিলেন, সেটি বিক্রি করে খরচ হয়েছে না। তিনি বলেন, আগে স্থানীয় বীজ দিয়ে ভালো ফলন হতো। এখন পাতায় মরিচা ধরে, ফুল কম আসে। শেষে দেখে আসছেন যে খরচ হারানো হচ্ছে না। তাই অন্য ফসল ধরেছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে ফেলন ডালের উৎপাদন প্রতিবছর হ্রাস পেয়ে আসছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে উৎপাদন ছিল ১৬ হাজার ৮৪৯ টন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা কমে এসেছে ১২ হাজার ৬৪২ টনে। মাঝখানের সময়েও অবনতি থামেনি; ২০২৪-২৫ অর্থবছরে উৎপাদন ছিল প্রায় ১৩ হাজার টন। সব মিলিয়ে পাঁচ বছরের মধ্যে উৎপাদন কমেছে প্রায় ৪ হাজার ২০৭ টন, যা শতাংশের দৃষ্টিতে প্রায় ২৫ ভাগ। জেলার মোট ডাল উৎপাদনও কমেছে প্রায় ৬ হাজার টন। খেসারি, মসুর, মুগ, মাষকলাই ও মটরের উৎপাদন বেড়েছে বলে দেখা যাচ্ছে।

খাদ্য তালিকার প্রধান ফসলের চাষ কমেছে

ফেলন চট্টগ্রামের প্রধান ডাল ফসল। ফটিকছড়ি, পটিয়া, মিরসরাই ও সন্দ্বীপে এখনো কিছু উৎপাদন হচ্ছে। কিন্তু আনোয়ারা, কর্ণফুলী, বাঁশখালী ও চন্দনাইশে আবাদ ও ফলন দুটি ধারাবাহিকভাবে কমেছে। চার বছরে শতাধিক কৃষক চাষ কমিয়েছেন। আনোয়ারার কৃষক মোহাম্মদ আবু সায়েম চার-পাঁচ বছর আগে ফেলন চাষ করতেন। এখন আর করেন না। তিনি বলেন, শুরুতে লাভ ছিল ভালো। উৎপাদনও বেশি হতো। পরে ফলন কমতে শুরু করে তখন আর ধরে রাখতে পারিনি।

বাজার ভালো থাকলে লাভ আছে। এখন কেজি প্রায় ১০০ টাকা। কিন্তু ফলন ঠিক থাকবে কি না, এই নিশ্চয়তা নেই। কখনো ভালো হয়, কখনো একেবারে কমে যায়।

সন্দ্বীপের মাইটভাঙ্গা ইউনিয়নের কৃষক মাইন উদ্দীন এখনো ফেলন চাষ করছেন। এবারের মৌসুমে ৪০ শতাংশ জমিতে তার চাষ হয়েছে। তিনি বলেন, খরচ হয়েছে পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা। প্রায় দুই মণ ডাল পাবেন আশা করছেন।

ডাল উৎপাদন বাড়াতে উন্নত জাত ও উপযুক্ত প্রযুক্তি গ্রহণ জরুরি হলেও ভালো মানের বীজের অভাব, পোকা-রোগের আক্রমণ এবং কৃষকের প্রযুক্তি গ্রহণে সীমাবদ্ধতা বড় বাধা হয়েছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, শস্য আবাদে প্রতিযোগিতার কারণে ডালের জমিও চাপে পড়ে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আপ্রু মারমা প্রথম আলোকে বলেন, কৃষকেরা এখন উচ্চমূল্যের ফসলের দিকে ঝুঁকছেন। তরমুজ ও কিছু সবজির চাষ বেড়েছে। সীতাকুণ্ড ও মিরসরাইয়ে আগে যেসব জমিতে ফেলন হতো, এখন সেখানে তরমুজ হচ্ছে। কারণ, ফেলনের চেয়ে তরমুজে লাভ বেশি। এতে ফেলনের উৎপাদনে টান পড়ছে।

অনেক কৃষক একই বীজ বহু �

Leave a Comment