প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পুনরায় পদোন্নতি প্রক্রিয়া শুরু
প র য় এক য গ পর – আদালতের রায়ের পর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতির প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু হয়েছে। এতে আটকে থাকা সহকারী শিক্ষকদের জন্য আশার আলো ফিরেছে। তবে সেই আশার সঙ্গে পুনরায় নতুন সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে ভয় করছে শিক্ষকরা। কারণ জ্যেষ্ঠতা অনুযায়ী তালিকা নিয়ে আবার কোনো বিতর্ক হতে পারে।
শিক্ষকদের আশা ও আতঙ্ক
রংপুর বিভাগের একজন সহকারী শিক্ষক বলেন, ‘আদালতের রায়ের পর আমাদের আবার আশাবাদী হতে হয়েছে। চাকরিজীবনের দীর্ঘ সময় একই পদে কেটে গেল। আমাদের এখন শুধু একটি চাওয়া—অধিদপ্তর দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করুন এবং পুরো প্রক্রিয়া শেষ করুন।’
প্রক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া ও বিবরণ
২ জুলাই আপিল বিভাগের চূড়ান্ত রায়ে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি সম্পর্কে সব আইনি বাধা দূর হয়েছে। এখন দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৩৬ হাজার ২৩৫টি পদ শূন্য রয়েছে। এসব পদে পদোন্নতি কার্যক্রম শেষ হলে অনেকটা নেতৃত্বের সমস্যা দূর হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আইনি লড়াই ও এর ফলাফল
২০১৩ সালে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের পর জ্যেষ্ঠতার নির্ধারণ সম্পর্কে বিতর্ক শুরু হয়। সেই বিতর্কের পর থেকে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি বন্ধ হয়ে যায়। সহকারী শিক্ষকদের সাধারণত ১২ বছর চাকরিজীবন সম্পন্ন করেও একই পদে কাজ করতে হয়। অনেকে অবসরে চলে যান।
২০১৭ সালে শিক্ষকদের পক্ষে আদালতে রিট করা হয়। ২০১৯ সালে হাইকোর্ট বিধির অংশ অবৈধ ঘোষণা করে। রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে এবং দীর্ঘ আইনি প্রতিযোগিতার পর আপিল বিভাগ তার আপিল মঞ্জুর করে। এটি প্রায় এক যুগের জটের অবসান ঘটে।
নিয়ম অনুযায়ী কার্যক্রম প্রতিক্রমণ
আদালতের রায়ের পর পদোন্নতি কার্যক্রম এগিয়ে নিতে আর কোনো আইনি বাধা নেই। ফলে গ্রেডেশন তালিকা চূড়ান্ত করা, প্রজ্ঞাপন জারি এবং নতুন নিয়োগ কার্যক্রম নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছি। আদালতের রায়ের সার্টিফায়েড কপি দ্রুতই আমাদের হাতে পৌঁছবে। তারপর বিধি অনুযায়ী সব পদোন্নতি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।’
আইনি সমস্যা বাদে আরও চ্যালেঞ্জ
তবে শুধু মামলা নয়, মাঠপর্যায়ের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে যে প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হয়েছে বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠনের বিভক্তি, পাল্টাপাল্টি অবস্থান এবং অভ্যন্তরীণ মামলা এর প্রধান কারণ। নেতাদের বিরোধ কারণে সাধারণ সহকারী শিক্ষকদের সবচেয়ে বেশি বোঝা হ
