প্রস্তাবিত বাজেট প্রত্যাখ্যান ছাত্র ইউনিয়নের, কড়া সমালোচনায় ছাত্রফ্রন্ট
প রস ত ব ত ব জ – বামপন্থী ছাত্রসংগঠন ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্রফ্রন্ট সরকারের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট প্রত্যাখ্যান করেছে। ছাত্র ইউনিয়নের নেতা তামজীদ হায়দার চঞ্চল এবং শিমুল কুম্ভকার এবং ছাত্রফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সভাপতি সালমান সিদ্দিকী ও সাধারণ সম্পাদক রাফিকুজ্জামান ফরিদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিবৃতিতে শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং স্বাস্থ্য খাতগুলো উপেক্ষিত হয়েছে বলে জানায়। বাজেট প্রস্তাবিত ছাত্র ইউনিয়নের মতে এই পরিকল্পনা রাষ্ট্রীয় জনগণের প্রকৃত চাহিদা পূরণে কোনো ভূমিকা রাখবে না। সংগঠনগুলো জানায় যে বাজেটের গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো কম বরাদ্দ পেয়েছে এবং অর্থনীতির সুস্পষ্ট পরিকল্পনা নেই।
বাজেট সমালোচনার বিষয়গুলো
ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্রফ্রন্ট বাজেটকে গতানুগতিক ও গণবিরোধী নীতির প্রতিফলন বলে মনে করে। তারা দাবি করেন যে এটি ঋণনির্ভর এবং বৈষম্যবর্ধক হয়েছে। বাজেটের মোট বৃদ্ধি হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত, কিন্তু এটি বাস্তবতার বিচারে ফাঁপা ও অকার্যকর হয়েছে। বিশেষ করে কর্মসংস্থান তৈরি করার জন্য কোনো সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ছাত্র সংগঠনগুলোর মতে নেই। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ব্যয় কমানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে, কিন্তু এটি মানুষের জীবনযাত্রার সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম হয়নি।
বাজার বিকৃতির সুযোগ সৃষ্টি
ছাত্রফ্রন্টের শীর্ষ নেতৃত্ব বলেন, বাজেটে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মদের ওপর কর বৃদ্ধি একটি দ্বিমুখী নীতি। একদিকে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি করা হয়েছে, অন্যদিকে বাজার বিকৃতির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত যথাযথ গুরুত্ব পেল না বলে ছাত্রফ্রন্ট মনে করেন। এই পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য সুস্পষ্ট ব্যবস্থা নেয়নি।
সংগঠনটি আরও জানায় যে বারবার দাবি তোলার পরও শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। ছাত্র ইউনিয়নের নেতারা মনে করেন এই বাজেট সরকারের মানুষের দাবি বুঝতে সক্ষম হয়নি। এটি স্থায়ী বৈষম্য সৃষ্টি করবে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। বিশেষ করে গরীব ও মধ্যম আয়ের মানুষদের জন্য কোনো বৃদ্ধি হয়নি।
ছাত্রফ্রন্ট জানায় যে বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ কমানো হয়েছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেন যে এটি কর্মসংস্থান তৈরি করার জন্য কোনো পরিকল্পনা ছাত্র ইউনিয়�ের মতে নেই। এই ক্ষেত্রে জাতীয় সক্ষমতা বিকল্প নেই বলে তারা জানায়। সংগঠনগুলো এখন অর্থনীতির সুস্পষ্ট পরিকল্পনা প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন। প্রস্তাবিত বাজেট প্রত
