প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর: বিনিয়োগ ও রাজনৈতিক সম্পর্কে অগ্রাধিকার
প রধ নমন ত র র চ – প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ বৃহস্পতিবার চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং সঙ্গে বৈঠকে অংশ গ্রহণ করছেন। এ সফরে দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ সহযোগিতা এবং রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে যে ঢাকার কর্মকর্তারা এ সফরে নতুন দিগন্ত উন্মোচনের আশাবাজী করছেন।
প্রধানমন্ত্রী চীন যাওয়ার প্রথম দিনে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম’ নামক একটি সম্মেলনে বক্তব্য প্রদান করবেন। এতে তিনি বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ ও সম্ভাবনা বর্ণনা করবেন।
বেসরকারি পর্যায়ে কয়েকটি বাণিজ্যিক চুক্তি সইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে। আলোচনায় বহুল আলোচিত তিস্তা প্রকল্প ও চীনের বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ জিডিআইতে বাংলাদেশের যুক্ততা আসবে।
এ সফরে চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকসহ কমপক্ষে ১৫টি দলিলের স্বাক্ষর করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ঢাকার কর্মকর্তারা আশা করছেন যে এ সফর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন পরিমাণে গুরুত্ব প্রদান করবে। বিএনপি ও সিপিসির মধ্যে সমঝোতা স্মারক অন্তর্ভুক্ত হবে।
এ সফরে প্রধানমন্ত্রী চীনের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলো যেমন চেরি গ্রুপ, হানদা গ্রুপ ও চায়নাট্যাক্স করপোরেশনের সাথে বৈঠক করবেন। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের প্রধান লিউ হাইসিং, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থার চেয়ারম্যান চেন শিয়াওডং ও এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যান চেন হুয়াইউ সঙ্গে আলোচনা করবেন।
এ সফরে আলোচিত বিষয়গুলো হলো উন্নয়ন সহযোগিতা, মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও সংস্কার, চীনা ভাষায় শিক্ষার সহযোগিতা চুক্তি এবং বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ জিডিআইতে বাংলাদেশের যুক্ততা। সমঝোতা স্মারকের তালিকায় রয়েছে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি উৎপাদন, ভূতাত্ত্বিক জরিপ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশ সহ বিভিন্ন খাতে ব্যবসা ও বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়গুলো।
বৈঠকের পর চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকের স্বাক্ষর করা হবে। তিস্তা প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে ঢাকা-বেইজিং সম্পর্কে অগ্রগতি ঘটবে।
