পুশ ইন বন্ধে দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থা চায় বিজিবি
প শ ইন বন ধ দ ব – নয়াদিল্লির চার দিনের সীমান্ত সম্মেলনের পর গতকাল শুক্রবার বিজিবি ভারতের সীমান্ত রক্ষা বাহিনী বিএসএফকে পুশ ইন বন্ধ করতে আহ্বান জানিয়েছে। মহাপরিচালক বিজিবি বলেন, পুশ ইন বিদ্যমান নীতি ও প্রটোকলের পরিপন্থী। গত বৃহস্পতিবার সম্মেলন শেষে বিএসএফ পক্ষ থেকে একটি যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। অন্যদিকে বিজিবি আলাদা করে বিবৃতি দেয়।
বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তবাসী বাংলাদেশিরাও তীব্র উত্তেজনার মধ্যে সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন। পুশ ইন নিয়ে এই বছর মাসখানেক ধরে ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে বিভিন্ন ব্যক্তি প্রবেশের চেষ্টা চলছে। বিজিবির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কয়েকটি চিঠি পাঠিয়েছে নয়াদিল্লিতে।
সম্মেলনে আলোচিত বিষয়গুলি
সম্মেলনে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সীমান্তে হত্যা ও সহিংসতা প্রতিরোধ, সীমান্ত নিরাপত্তা, মাদক ও চোরাচালান, অবৈধ অভিবাসন, মানব পাচার, জাল মুদ্রা ও স্বর্ণ চোরাচালান, পার্বত্য অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কার্যক্রম এবং অননুমোদিত নির্মাণ ও সীমান্ত অবকাঠামো সম্পর্কে আলোচনা হয়েছে।
মেজর জেনারেল আশরাফুজ্জামান সীমান্তে বিএসএফ সদস্য ও ভারতীয় নাগরিকদের দ্বারা প্রাণঘাতী ও অপ্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের ফলে নিরস্ত্র ও নিরীহ বাংলাদেশি নাগরিকদের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি আরও জানান, সীমান্ত এলাকায় হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনার জন্য বিএসএফের মহাপরিচালককে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
বিজিবির মহাপরিচালক মিজোরাম রাজ্যে পার্বত্যাঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সম্ভাব্য অবস্থান ও বাংলাদেশবিরোধী কার্যক্রমের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বিশেষ করে বলেন, ভারতে অবৈধ অভিবাসন ও রোহিঙ্গা অবৈধ অভিবাসীদের ভারতে প্রবেশ-সংক্রান্ত উদ্বেগের জবাবে বাংলাদেশ রোহিঙ্গা বা মিয়ানমারের নাগরিকদের তার ভূখণ্ড ব্যবহার করে ভারতে অবৈধভাবে চলাচলের অনুমতি দেয় না।
বিএসএফের পক্ষ থেকে আসা যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, আলোচনায় উভয় পক্ষ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলত
