Uncategorized

পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন নিশ্চিতে ‘আস্থা ও সমন্বয়’ জরুরি: পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী

পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে আস্থা ও সমন্বয় জরুরি প র বত য চট টগ র - পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও উন্নয়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আস্থা ও

Desk Uncategorized
Published May 21, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে আস্থা ও সমন্বয় জরুরি

প র বত য চট টগ র – পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও উন্নয়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আস্থা ও সমন্বয় অপরিহার্য হিসেবে তুলে ধরেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। তিনি জানান যে উন্নয়নের সফলতা আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা পরিষদগুলোর সংযোগের মাধ্যমে সম্ভব হবে। এ বিষয়ে তিনি রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত প্রথম আলো কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য প্রদান করেন।

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা

মন্ত্রী দেওয়ান বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে উন্নয়নের সফলতা ছাড়া আঞ্চলিক পরিষদকে গুরুত্ব দিলে কাজ সম্পূর্ণ হবে না। তিনি উল্লেখ করেন যে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অধিকারের পাশাপাশি টেকসই উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয় আবশ্যক। আলোচনা করা হয়েছে কৌশলগত ও রাজনৈতিক পরিচালনা বিষয়ে।

মন্ত্রী দেওয়ান বলেন, ‘আস্থা ও সমন্বয়’ নীতিকে পালন করে পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনীতি ও সামাজিক বিকাশ সম্ভব হবে। এই সমন্বয়ের মাধ্যমে জনগণের স্বাধীনতা ও স্বাবলম্বনের পথ প্রশস্ত হবে।’

বিদেশি সহায়তার ভূমিকা

পার্বত্য চট্টগ্রামে সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তার গুরুত্ব তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি বলেন যে ইইউ এর সাহায্যে জুমচাষি পরিবারগুলো স্বাবলম্বী হতে সক্ষম হবে। এই প্রকল্প সম্পন্ন করতে এডউইন কোয়েক এমন সময় ঘটনা ঘটিয়েছেন যখন দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলা সশস্ত্র আন্দোলন অবসান পেয়েছে।

প্রথম আলোর মূল সম্পাদক শাহীন আনাম বলেন, ‘পরিবেশ ও পানি সংকট মোকাবিলার জন্য জুমচাষিদের সমস্যা সমাধান করা আবশ্যক। তাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিকাশে আন্তর্জাতিক সহায়তার ভূমিকা অপরিহার্য।’

মন্ত্রী দেওয়ান সরকারী সংস্থাগুলো সমন্বয় করার জন্য সেনাবাহিনী ও পুলিশ কর্মকর্তাদের সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি তুলে ধরেন যে সংস্থাগুলো একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামে সরকারের সংস্থাগুলো এক প্রতিষ্ঠানের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারবে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের সামগ্রিক উন্নয়নের মাধ্যমে সংস্থাগুলো একে অপরের সহযোগিতা করবে। কর্মসূচি চালানো এবং অর্থনৈতিক ভূমিকা বাড়ানো দুই দিকে একটি একত্রীকরণ প্রয়োজন। মন্ত্রী বলেন যে সেনাবাহিনী ও বিজিবি সব বাহিনী এই অঞ্চলে সক্রিয় ভাবে সংযোগ করছে।

উন্নয়নের সংকট কাটানো জন্য পার্বত্য চট্টগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাগুলো �

Leave a Comment