পশ্চিম তীর-গাজায় নতুন করে অবৈধ ইহুদি বসতির ঘোষণা
পশ চ ম ত র গ জ – ইসরায়েলি অবৈধ বসতি স্থাপনের প্রথম ধাপটি সামরিক উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা হয়। ১৯৬৭ সালে পশ্চিম তীরে এই পদ্ধতি অনুসরণ করা শুরু হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ও অর্থমন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ ঘোষণা করেন যে, তিনি গাজায় নতুন তিনটি অবৈধ বসতি নির্মাণের পরিকল্পনা প্রস্তুত করছেন। পরিকল্পনাটি সামরিক স্থায়িত্বের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে, যা কয়েক দশক ধরে ইসরায়েলি বেসামরিক বসতি স্থাপনের পথ সুগম করছে।
সামরিক কমান্ডার আভি ব্লুথ বলেন যে, অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের কাজ সামরিক বাহিনীর নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি ইসরায়েলের পশ্চিম তীরে একটি বসতিতে বেড়ে ওঠা ব্লুথ গত বুধবার ‘ফার্মস অ্যাসোসিয়েশন’ নামে একটি সংগঠনের সভায় এ কথা ঘোষণা করেন। সংগঠনটি ইসরায়েলি আইনে অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের প্রতিনিধিত্ব করে। পরিকল্পনাগুলো ফিলিস্তিনিদের ঘরবাড়ি ও জমি থেকে বিতাড়িত করার জন্য কাজ করে আসছে।
ফিলিস্তিনের জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় বলেছে যে, বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা সামরিক সহিংসতা। প্রতিবেদনটি বলেছে যে, ইসরায়েল ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গ্রাসের উদ্দেশ্যে এই বসতি স্থাপনকারীদের ব্যবহার করছে। অপরাধীদের বিচার না হওয়ায় সহিংসতা লাগামহীনভাবে বাড়ছে।
ইসরায়েলের অধিকার রক্ষা সংস্থা ‘পিস নাউ’-এর হাগিত ওফরান বলেন, নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে নেতানিয়াহু সরকার নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলের সাতটি বসতিতে বুলডোজার দিয়ে কাজ চালাচ্ছে। ওফরান জানান, নেতানিয়াহু সরকার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে নির্বাচনের আগে জনগণের অর্থ লুটপাটের বেপরোয়া প্রতিযোগিতায় নেমেছে।
ফিলিস্তিনিদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, পশ্চিম তীরে ইহুদিদের সহিংসতার পেছনে রাষ্ট্রীয় সহিংসতার কারণ হিসেবে কাজ করছে। ইসরায়েলের গাজার নিয়ন্ত্রিত এলাকা পরিদর্শনের সময় কাৎজ গাজায় বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি গাজায় জাতিগত নিধনের পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছেন।
ইসরায�
