পল্লবীতে শিশু ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ড প্রদান
পল লব ত ধর ষণ র পর – পল্লবীতে শিশু ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ড আদালত ঘোষণা করেছে। ঘটনার পর শিশু হত্যার প্রতি গুরুতর আসামি দুই ব্যক্তিকে শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওতায় দণ্ডিত করা হয়েছে। সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
পরিস্থিতি ও ঘটনার সময়সূচি
গত ১৯ মে পল্লবীর একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে আট বছর বয়সী শিশুর খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর শিশুহত্যার প্রতি আসামি দুই ব্যক্তি জরিমানার পরিমাণ ঘোষণা করা হয় আজ রোববার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এজলাসে। সোহেল রানা ফ্ল্যাটের শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান ঘটনার দিন পূর্বে। স্বপ্না আক্তারকে তাঁর স্ত্রী কে আটক করা হয় ঘটনার সময়। এর পর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুসারে সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সন্ধ্যায়।
আদালতে পরিচালিত যুক্তিতর্ক গত বৃহস্পতিবার শেষ হয়। ঘটনার পর শিশুহত্যার ঘটনার মামলার রায় ঘোষণা হয় ৭ জুন। তখন বিচারক মাসরুর সালেকীন এজলাসে এ রায় পড়েন। সোহেল রানার ও স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ড দিয়ে বিচারক ক্রমবর্ধমান গুনাগুন ও দাবি পূরণ করেছেন।
মামলার প্রক্রিয়া ও আসামি স্বীকারোক্তি
শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন। ঘটনার পর শিশুহত্যার প্রতি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এ ঘটনার পর শিশু হত্যার বিষয়ে বিচারক মাসরুর সালেকীন এজলাসে তদন্ত চালানো হয়। ঘটনার পর শিশু হত্যার প্রতি তাঁদের বিরুদ্ধে প্রমাণ সংগ্রহ করা হয় চার দিনের মাথায়।
“এ মামলায় আসামি দুই ব্যক্তি ঘটনার পর শিশু হত্যার প্রতি দায়িত্ব স্বীকার করেছেন এবং স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ঘটনার পর শিশু হত্যার প্রতি আদালত দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড দেয়।”
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু বলেন, “আইন অনুযায়ী এ মামলায় আসামি দুই ব্যক্ত
